সন্দেশখালির বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র নিজেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের গ্রাহক। এনিয়ে আক্রমণ শানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। সন্দেশখালির রেখা পাত্র প্রার্থী হওয়ার পরে তার ব্যাক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে আনে তৃণমূলের আইটি সেলের কনভেনার দেবাংশু ভট্টাচার্য। এনিয়ে তারপর শুরু হয় রাজনৈতিক তর্জা। পাল্টা আক্রমণ করে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।



আরও পড়ুন : সামনেই পয়লা বৈশাখ, তীব্র দাবদাহে কবে নামবে স্বস্তির একপশলা বৃষ্টি?ে
এই সরকারী সাহায্য নিয়ে ভোটে দাঁড়ানো নিয়ে কটাক্ষের মুখ খুললেন রেখা পাত্র। বললেন, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েছি বেশ করেছি। কারোর কিছু বলার নেই। এটা জনগণের ট্যাক্সের টাকা। কারোর ব্যাক্তিগত সম্পত্তি নয়।’ এদিন রেখা বললেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে আমার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করেছে তৃণমূল। দেবাংশু ভট্টাচার্য ঘৃণ্য কাজ করেছেন।”



পাশাপাশি তিনি আরও অভিযোগ করেন যেদিন থেকে সন্দেশখালি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছি সেদিন থেকেই ওখানকার সব ভাতা বন্ধ করে দিয়েছে। কোন পরিষেবা পাওয়া যায়না। কেন এসব হবে। প্রসঙ্গত, সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে তিনি প্রথম থানায় গিয়েছিলেন। শুধু তাই নয় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন করে বলেন, ‘উনি গুন্ডাদের প্রশয় দিচ্ছেন। ৫০০- ১০০০ টাকার জন্য নোংরা রাজনীতি বন্ধ হোক।’
‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েছি বেশ করেছি’, অকপট, অকুতোভয় সন্দেশখালির ‘শক্তি স্বরুপা’

শাহজাহান সম্মন্ধে রেখা বলেন, “ও গিরগিটি। নিজের রঙ বদল করছে। ওর কঠোর শাস্তি চাই। সেই শাস্তি চাওয়ার লড়াইয়ে আমি পিছিয়ে আসব না। লড়াই চলছে চলবে। এবার মানুষ সুবিচার পাবে।” উল্লেখ্য এবারের নির্বাচনে পাখির চোখ সন্দেশখালির মহিলা ভোট। প্রার্থী বাছাইয়ে বড় চমক দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী। নিজে ফোন করে উৎসাহিতও করেছেন রেখাকে। সিবিআইয়ের হাতে গোটা তদন্ত চলে যাওয়ায় আরও আত্মবিশ্বাসী রেখা।








