নজরবন্দি ব্যুরো: কামারহাটির বিধায়ক তৃণমূল নেতা মদন মিত্র। মদনবাবুর ফেসবুক লাইভ গোটা বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। তার ফেসবুক লাইভে তিনি রাজনীতি থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। কখনো বা গান তো কখনো আবার রাজনৈতিক বক্তৃতা দেন ফেসবুক লাইভে।
আরও পড়ুনঃনিয়ন্ত্রণে আসছে করোনা, মনে করছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক
মদনবাবু দাবি করেন, তার বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে বেশ কিছু জায়গায় দুষ্কৃতীরা অবৈধভাবে প্রমোটিং করার চেষ্টা করছে । আর এই নিয়েই এই দিন ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন , ‘মেঘনার মাঠে প্রোমোটিংয়ের জন্য নোংরামো চলছে। আমি সৌগত রায়ের সঙ্গে কথা বলে উন্নয়নের চেষ্টা করছি। তা না কতগুলো অপরাধী এসব করে বেড়াচ্ছে।’
এমনকি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষা তৃণমূল বিধায়কের হুঁশিয়ারি, ‘প্রত্যেকের গতিবিধি নজরে রয়েছে। কে কতটা ভাগ নেবে, কোথায় বৈঠক হচ্ছে সব জানি। গুণ্ডামি করে, পয়সা দেখিয়ে মদন মিত্রকে কেনা যাবে না। আমি শুভেন্দু নই। টাকার জন্য বিক্রি হই না। ক্লাবের মাঠে খেলাধূলা করুন। যে যত বড়ই নেতা, মাতব্বর ধরুন। মেঘনার মাঠে প্রোমোটিং করতে দেব না। মেঘনার মাঠে হাত দিলে হাতের পাঞ্জা কেটে দেব।’প্রোমোটারিং রুখতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের এই চিরসবুজ নেতা। কিন্তু তার পাঞ্জা কেটে নেওয়ার মতো বক্তব্যে শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে ।
কামারহাটি তে অবৈধ প্রমোটিং নিয়ে বিস্ফোরক মদন

এছাড়াও সেই লাইভে তিনি বেশকিছু তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন । ফলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়। তাহলে কি এবার মদন মিত্র বেসুরো? এরপর মদনবাবু ফের একবার লাইভে আসেন এবং তিনি বলেন তিনি উত্তেজিত হয়েই এই ধরনের মন্তব্য করে ফেলেছেন। তিনি শৃঙ্খলাবদ্ধ তৃণমূল স্তরের নেতা বলেই জানিয়ে দেন। তিনি আরো জানান, ‘মদন মিত্র মরলে তৃণমূলের ঝাণ্ডা বুকে নিয়েই মরবে।’ তবে মেঘনার মাঠ বেদখল হতে দেবেন না।




