নজরবন্দি ব্যুরো: শনিবাসরীয় ভোটদিবসের শেষ হল প্রথমার্ধ। প্রথম পাঁচ ঘন্টাতেই হিংসার বলি হলেন ৭ জন। কমিশনের দেওয়া রিপোর্ট অনুসারে ভোট পড়েছে ২২.৬০ শতাংশ। রাজ্যের আনাচ কানাচ থেকে ভেসে আসছে একের পর এক অশান্তির ঘটনা। রাজ্যে ৮২২ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার কথা থাকলেও সম্পূর্ণ বাহিনী আসেনি বলেই জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: চাপড়ায় কুপিয়ে খুন করা হল তৃণমূল কর্মীকে, অভিযোগের তির কংগ্রেসের দিকে
খুন, মারামারি, গুলি, ব্যালট পেপারে আগুন জ্বালানো কোনও কিছুই বাদ থাকল না পঞ্চায়েত ভোটের প্রথম কয়েক ঘন্টায়। ভোট শুরুর আগেই আশঙ্কা ছিল হিংসা চরমে পৌঁছতে পারে। সব আশঙ্কা সত্যি করে নজিরবিহীন অশান্তির সাক্ষী গোটা বাংলা। সবচেয়ে উত্তপ্ত হল মুর্শিদাবাদ। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা দু’নম্বর ব্লকের রেজিনগর থানার নাজিরপুরে ইয়াসিন শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মী খুন হলেন। রানিনগরে সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৪ জন জখম হয়েছেন বলে খবর। রানিনগরের হূর্সি অঞ্চলে সিপিএম সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে অভিযোগ। ডোমকলে এক কংগ্রেস কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। খড়গ্রামে তৃণমূল কর্মী শাহাবুদ্দিন শেখ নামের একজন রাজনৈতিক হিংসার শিকার।

অন্যদিকে, ডোমকলের কুশিবাড়িয়ায় দুই তৃণমূল কর্মী এবং এক কংগ্রেস কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শমসেরগঞ্জে তৃণমূল কর্মী আফতাব শেখকে গুলি করা হয়েছে। গিতালদহের ভাগ্নিপাট-১ এলাকায় দুই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আবার ভাঙড়ে বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণে ঝলসে গেল দুই নিষ্পাপ শিশু।

তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের অভিযোগ, বিজেপি সিপিএম ও কংগ্রেস হাতে হাত মিলিয়ে ঘাসফুল কর্মীদের ওপর চড়াও হচ্ছে, যে পরিমাণ বাহিনী দেওয়ার কথা ছিল কমিশনের সেই পরিমাণ বাহিনী দেওয়া হয়নি। পাল্টা বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইট করে বলেছেন, ‘বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে রাক্ষসতন্ত্রের উদযাপন চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাড়াটে খুনি রাজীব সিনহা তাঁর পরিকল্পনা কার্যকর করেছেন। এটার তৃণমূলের গণতান্ত্রিক মডেল’।
শেষ ভোটদিবসের প্রথমার্ধ, হিংসার বলি ৭ জন, ব্যালটে ভোট পড়ল ২২.৬০ শতাংশ




