শুক্রবার সক্কাল সক্কাল বুলডোজার নিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ বাবু সিং কুশওয়াহার বাড়িতে হাজির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকেরা। এক দশকেরও বেশি পুরোনো এনআরএইচএম দুর্নীতি মামলার সূত্রে। এর আগেই সমাজবাদী পার্টির নেতার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। এই ঘটনায় ফের একবার কেন্দ্র সরকারকে নিশানায় নিয়েছেন বিরোধীরা।
সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে রীতিমতো ‘দখল’ হারিয়েছে বিজেপি। গত নির্বাচনে যেখানে তাঁরা ৬৬টি আসন জিতেছিল। সেখানে এবার জিতেছে ৩৬টি। সেখানে সমাজবাদী পার্টি নিজেদের আসন বাড়িয়েছে ৩২টি! আগের বার সপা জেতে মাত্র ৫টি আসন। সেখানে এবার একধাক্কায় ৩৭টি আসন নিজেদের দখলে নিতে সমর্থ হয়েছে অখিলেশ যাদবের দল। ‘ইন্ডিয়া’ জোট মোট ৪৩টি আসন পেয়েছে সেখানে এবার এনডিএ পেয়েছে ৩৬টি। আর অভিযোগ, সেই কারণেই কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে বিরোধীদের ‘কন্ঠরোধ’ করতে চায় বিজেপি সরকার। যদিও এই অভিযোগ একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন সে রাজ্যের পদ্ম নেতারা।


অনেকদিন আগেই উত্তরপ্রদেশের জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন (এনআরএইচএম) কেলেঙ্কারি মামলায় আর্থিক তছরুপের তদন্তে নেমেছে ইডি। এই মামলায় সমাজবাদী পার্টির সাংসদ বাবু সিং কুশওয়াহারের নাম উঠে আসে। সেই ঘটনার তদন্তে লখনউয়ে তাঁর বেশ কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছেন গোয়েন্দারা। সেখানেই বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে শুক্রবার বুলডোজার নিয়ে গেল ইডি।
যোগীরাজ্যে বুলডোজার দিয়ে বেআইনি নির্মাণ গুড়িয়ে দেবার ঘটনা নতুন নয়। এবার একই পন্থা নিল ইডি। হাতিয়ার হিসাবে গোয়েন্দারা হাতে তুলে নিলেন বুলডোজার। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে উত্তরপ্রদেশে জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশনে ব্যাপক দুর্নীতির ঘটনা প্রথম প্রকাশ্যে আসে। সিবিআই এই মামলায় একাধিক স্বাস্থ্যকর্তাকে গ্রেফতার করে। একাধিক ব্যক্তি এই মামলায় খুন পর্যন্ত হন। পুলিশি হেফাজতেও মৃত্যু হয় অভিযুক্তদের। সেই সময় প্রদীপ শুক্লা নামে এক প্রবীণ আইএএস অফিসার এবং তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতীর মন্ত্রীসভার মন্ত্রী বাবু সিং কুশওয়াহাকেও গ্রেফতার করেছিল সিবিআই।







