৬ বছর পর আবার লাল-হলুদ জার্সিতে ফিরলেন এডমুন্ড লালরিনডিকা। এক সময় ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেললেও চোটের জন্য বড় সুযোগ পাননি এই মিজোরামের স্ট্রাইকার। এবার তিন বছরের স্থায়ী চুক্তিতে তাঁকে ফেরাল লাল-হলুদ শিবির।
গত মরশুমে আই লিগ ক্লাব ইন্টার কাশীর হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্স করেছেন ডিকা। ২৪টি গোল এবং সুপার কাপে ৪ গোল ও ৬টি অ্যাসিস্ট করে নজর কেড়েছেন জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচ মানোল মার্কেজেরও।


চোটে থেমেছিল কেরিয়ার, এবার নতুন উদ্যমে শুরু
২০১৯-২০ মরশুমে বেঙ্গালুরু এফসি থেকে লোনে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন ডিকা। কিন্তু চোটের কারণে খেলতে পারেন মাত্র দুটি ম্যাচ। এর মধ্যে একটিতে ডার্বি ম্যাচে অ্যাসিস্টও ছিল তাঁর।
ডিকার কথায়,“ইস্টবেঙ্গলে ফেরাটা আমার স্বপ্ন ছিল। অনেক কাজ বাকি আছে লাল-হলুদ জার্সিতে। এবার নিজেকে উজাড় করে দিতে চাই। গোল করতে চাই, ডার্বি ও ট্রফি জিততে চাই।”
গোলের খরা মেটাতেই ডিকাকে ফেরাল ইস্টবেঙ্গল
গত আইএসএল মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের অন্যতম দুর্বলতা ছিল একজন নির্ভরযোগ্য গোলস্কোরারের অভাব। সেই সমস্যা সমাধানেই এবার ডিকাকে ফিরিয়ে আনল ক্লাব।তিনি এবার ১০ নম্বর জার্সি পরবেন, যা সাধারণত দলের মেইন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের দেওয়া হয়।


আইএসএল ঘিরে অনিশ্চয়তা, তবু দল গঠনে সচল ইস্টবেঙ্গল
আইএসএল কবে শুরু হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফেডারেশনের সঙ্গে এফএসডিএল-এর চুক্তি জটিলতার জেরে দেশের সেরা ফুটবল টুর্নামেন্ট স্থগিত রয়েছে।তবুও ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চুপ করে বসে নেই। অতীতে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে বিপদে পড়েছিল ক্লাব। এবার সেই ভুল আর করতে চান না তাঁরা। ডিকাকে দলে টেনে গোল মেশিন হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে কোচিং স্টাফ। ক্লাব সূত্রে জানা যাচ্ছে, আরও কয়েকটি নতুন সইও খুব শীঘ্রই ঘোষণা হতে পারে।
জাতীয় দলের হয়ে সুযোগ পাওয়ার পিছনে আই লিগ পারফরম্যান্স
আইএসএলের বাইরে থেকেও জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়া বিরল। কিন্তু ডিকার অসাধারণ আই লিগ পারফরম্যান্স নজরে পড়েছিল কোচ মার্কেজের। তিনি নিজেই ডিকাকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেন। সেই থেকেই এই স্ট্রাইকারের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। এবার সেই আত্মবিশ্বাসকে রূপ দিতে চান ইস্টবেঙ্গলের হয়ে নিয়মিত গোল করে।







