সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই (DYFI) সদস্য সংগ্রহে সাত বছরের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। ২০২৪ সালের আগে সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ৩৪ লক্ষ ছুঁয়েছে, যা দলের নেতাদের আশা বাড়ালেও ভোট বাক্সে এর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ডিওয়াইএফআইয়ের সদস্য সংখ্যা ৩৪ লক্ষ, যা সিপিএমের জন্য উল্লেখযোগ্য। কিন্তু বিজেপির সদস্য সংখ্যা ৪৮ লক্ষ ছাড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, ডিওয়াইএফআইয়ের সদস্য বৃদ্ধি কি সিপিএমের রাজনৈতিক শক্তি পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে? দলের একাংশ এ নিয়ে সন্দিহান।
ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি সাহা বলেছেন, শিগগিরই সদস্য সংখ্যা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। সম্ভবত, ২০ জানুয়ারি প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্মরণসভায় এই তথ্য তুলে ধরা হতে পারে।
যদিও সদস্য সংগ্রহের সংখ্যা বেড়েছে, তবে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির পরও সিপিএমের ভোট শতাংশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। এর কারণ খুঁজে বের করতে নিউটাউনে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক শুরু হয়েছে।
২০১১ সালে সিপিএম ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দলের যুব সংগঠনের সদস্য সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমছিল। কিন্তু এবারের রেকর্ড বৃদ্ধি সিপিএমের পুনর্জাগরণের ইঙ্গিত হতে পারে। তবে তা আদৌ বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা সময়ই বলবে।
নিউটাউনের একটি ব্যাঙ্কোয়েটে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক নিয়ে দলীয় মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সর্বহারার পার্টির শীর্ষ নেতারা ব্যাঙ্কোয়েটে বৈঠক করায় সমালোচনা হচ্ছে। বৈঠক চলবে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে সিপিএম বার্তা দিতে চাইছে যে তারা বাংলায় শক্তি ফিরে পাওয়ার পথে। তবে, এই সংখ্যাবৃদ্ধি ভোটে কতটা প্রতিফলিত হবে, সেটাই দেখার।



