নিজস্ব প্রতিনিধি দক্ষিন দিনাজপুরঃ গতকাল দুপুরের পর থেকেই প্রবল তুষারপাতের সাক্ষী থেকেছিল সিকিমের নাথুলা, ছাঙ্গু লেক, সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। যারফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ঘন সাদা বরফের চাদরে মুড়ে গিয়েছিল গোটা চত্বর। যা সহজেই বড়দিনের আগে মন জয় করেছিল পর্যটকদের। কিন্তু সেখানেই দেখা দিল বিপত্তি। এই তীব্র তুষারপাতের জেরে সিকিমের নাথুলাতেই আটকে পড়লেন প্রায় ১২০০ জন পর্যটক।
আরও পড়ুনঃ ‘মধুবন মে রাধিকা’, সানির নতুন গানের অ্যালবাম অশ্লীল, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর
বহুদিন ধরেই করোনা আতঙ্কের ফলে গৃহবন্দী ছিল সাধারন মানুষ। তবে সাম্প্রতিক কালে অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটায় এবারের বড়দিন ও বর্ষবরনের আমেজে দার্জিলিং সহ সিকিম সফরের জন্য রওনা দিয়েছেন অনেকে। সেখানে বড়দিনের আমেজে দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু, টাইগার হিল, চটকপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় তুষারপাত
পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় বিষয় হয়ে ও দাঁড়িয়েছিল।
কিন্তু হটাৎ ই সকলের গন্তব্যে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় এই তুষারপাত। যারফলে আচমকাই নাথুলা সহ ছাঙ্গু লেকের পথে আটকে পড়েন বহু পর্যটক। যা নিয়ে রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয় পর্যটকদের মধ্যে। তবে কিছু সময় পরেই সেখানে ভারতীয় বায়ু সেনার ব্ল্যাক ক্যাট আশায় কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রনে আসে পরিস্থিতি।
প্রবল তুষারপাতের জের, সেনার ছত্রছায়ায় ১২০০ পর্যটক

অত্যন্ত যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পর্যটকদের উদ্ধার করে চীনের সীমান্তবর্তী নাথুলায় পর্যটকদের কে নিজেদের ক্যাম্পে নিয়ে আসে জাওয়ানরা। জানা গিয়েছে আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূল না হওয়া পর্যন্ত ওই সেনাবাহিনীর ক্যাম্পেই রাখা হবে সকল পর্যটকদের। তাই আপাতত সেখানেই সময় মত খাবার দাবারের ব্যাবস্থা করা হয়েছে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে। পাশাপাশি আটকে পড়া ওই ১২০০ পর্যটক ও তাদের গাড়িগুলি কে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাখার ও ব্যবস্থা করা হয়েছে।



