দেশে গ্যাসের জোগান স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে ওষুধ শিল্পে। গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের সরবরাহে টান পড়ায় আশঙ্কা বাড়ছে—আগামী দিনে বাড়তে পারে ওষুধের দাম। শিল্প মহলের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সাধারণ মানুষের পকেটে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।
ওষুধ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রপিলিন, অ্যামোনিয়া ও মেথানলের মতো রাসায়নিক কাঁচামাল এখন গ্যাস-নির্ভর শিল্পে বেশি করে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদনে এই উপাদানগুলির জোগান কিছুটা চাপে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘাটতি উৎপাদন খরচ বাড়াতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বাজারদরে।


তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। ওষুধ তৈরির খরচ কমাতে সরকার আমদানি শুল্ক কমিয়েছে, যাতে বিদেশ থেকে কাঁচামাল এনে ঘাটতি পূরণ করা যায় এবং দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। তেল শোধানাগারগুলিও উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যাতে বাজারে সরবরাহ বজায় থাকে।
তা সত্ত্বেও উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। কারণ, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও কাঁচামালের দামের ওঠানামা সরাসরি প্রভাব ফেলছে দেশীয় উৎপাদনে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে ওষুধের দাম ধীরে ধীরে বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।










