নজরবন্দি ব্যুরোঃ মারের বদলা মার দিন, মার খেয়ে কেউ ফোন করবেন না। ওরা দুটো দিলে চারটে দিয়ে আসবেন! আজ দলীয় কর্মীদের এভাবেই নির্দেশ দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে এহেন উস্কানিমূলক উক্তি কেন করলেন দিলীপ? বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও বিজেপি কার্যকর্তাদের উপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। মারা যাচ্ছেন বিজেপি কার্যকর্তারা। তাই পাল্টা দাওয়াই দিলেন আমাদের রাজ্য সভাপতি!
আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর ইস্তফার দিন গেরুয়া শিবিরে যোগদানের পথে দিল্লিতে মিহির!
মারের বদলা মার দিন, এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “খালি গায়ে, খালি হাতে কেউ বাড়ি থেকে বের হবেন না। আপনাদের মেরে দিয়ে কেউ দাদাগিরি করবে, চুপচাপ করে কেউ চলে আসবেন না। মার খেয়ে ফোনও করবেন না, তাহলে আর থানায় যাব না, হাসপাতলেও যাব না। ওরা দুটো দিলে চারটে দিয়ে আসবেন। পিঠে দাগ নিয়ে ওরা বাড়ি যাবে, হাসপাতালে যাবে, থানায় যাবে। আমরা যাব না।” শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর হাই স্কুল মাঠে বিজেপির এক জনসভায় কর্মীদের উদ্দেশ্যে এমনই নির্দেশ দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
এদিনের এই সভা থেকে একের পর এক রাজ্য সরকার, সিপিএম ও কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি দাবি করেন তৃণমূল সাহায্য করছে সিপিএম কে। এখন পাড়ায় পাড়ায় তৃণমূল কর্মীরা সিপিএমের পতাকা লাগাচ্ছে। পার্টি অফিসের চাবি দিচ্ছে খোলা জন্য। প্রয়জনে চা খাওয়ার টাকাও দিচ্ছে। তিনি আরো দাবি করেন, এখন কানা সিপিএমের কাঁধে ভর দিয়ে চলছে ল্যাংড়া কংগ্রেস। দিদি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা সিপিএমের জন্য কালিঘাটে পুজো দিচ্ছেন।
শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রীত্বে ইস্তফার খবরে তিনি বলেন, “কোন ভদ্র মানুষ তৃণমূল করেনা। দেখুন কিভাবে দিদির ঘর ভাঙছে। শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগ কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা নয়। পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছিল এটা হতই। তিনি বলেন তৃণমূলের শেষের দিন শুরু হয়ে গেছে। তৃণমূল কোনো ভদ্রলোকের দল নয়। তাই এর আগেও অনেক সাংসদ, বিধায়ক দলত্যাগ করেছেন, ভবিষ্যতেও করবেন। তাঁরা যদি দলে আসতে চায় স্বাগত।



