নজরবন্দি ব্যুরো: ইয়াস ধাক্কা কাটিয়ে সাজবে দিঘা – মন্দারমনি, বিপর্যয়ের পরেই সেকথা জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তড়িঘড়ি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখে একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তৎক্ষণাৎ। তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সাধের দীঘার রূপ ফিরিয়ে আনতে সরেজমিনে ঘুরে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে গতকালই দিঘা ছুটে গিয়েছেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন।
আরও পড়ুনঃ দেবাঞ্জনের ঔদ্ধত্যে হতবাক, মমতা বললেন জঙ্গীদের থেকেও ভয়ংকর!
গতকাল দিঘা পরিদর্শনের পর আজ নিজে ঘুরে দেখলেন দিঘা মন্দারমনি। রিপোর্ট বলেছিল দীঘার থেকেও বেশি ক্ষতি হয়েছিল মন্দারমনি তাজপুরের। দীঘার মত কংক্রিটের বাঁধ দেওয়াল না থাকায় জলের তোড়ে একেবারে ভিজে গিয়েছিলো এই দুই জায়গা। দ্রুত আগের পরিস্থিতি ঠিক করতে একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। আর সেই উদ্দেশ্যেই গতকালের দিঘা পরিদর্শনের পর আজ মন্দারমনি তাজপুর ঘুরে দেখলেন পর্যটনমন্ত্রী।
গত ১০ বছরে একাধিক কাজের সঙ্গেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোর দিয়েছেন রাজ্যের পর্যটন শিল্পের ওপর। একাধিক জায়গায় আমূল পরিবর্তন এনেছেন। এখন সেই দায়িত্ব গিয়েছে পর্যটনমন্ত্রীর হাতে। আর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দলের সুপ্রিমোর নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনকে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে বিশেষ স্থান অর্জনের লক্ষ্যে পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের পর্যটক আবাস ও পর্যটন স্থলগুলি সরেজমিনে ঘুরে দেখছেন ।
যাতে সামনের মাসের মধ্যেই এই পর্যটক আবাস পর্যটক দের জন্যে খুলে দেওয়া যায় তা নিয়ে গতকালই কথা বলেছিলেন তিনি। আজ ফের মন্দারমনি ও তাজপুর এর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন এর প্রতিনিধিদের তিনি জানান-” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারা ভারতে প্রথম পর্যটন ও হোটেল শিল্পের সাথে যুক্ত মানুষদের করোনা মুক্ত রাখার জন্যে ব্যবস্থা নিয়েছেন।” দীঘা, মন্দারমনি ও তাজপুর এর পর্যটনের উন্নয়ন জন্যে প্রস্তাব প্রতিনিধিদের থেকেই জানতে চান এবং জানান সমস্যা সমাধানে পর্যটন দপ্তর নোডাল হিসেবে কাজ করবে।

জানান আগের অবস্থা ফিরিয়ে আনতে গৃহীত পরিকল্পনার বিষয়ে পয়েন্ট ধরে জানাক তাঁরা নিজেরাই,সেই রিপোর্ট অনুযায়ী কাজ এগোবে আগের পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে। সঙ্গে ইয়াসে ক্ষতি হওয়া রাস্তা ঘাট সইয়ের বিষয়েও আজ আলোচনা করেন ইন্দ্রনীল সেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে তৃতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই নিজের দায়িত্ব এক মনে পালন করছেন পর্যটন মন্ত্রী। উত্তর থেকে দক্ষিণে ছুটে বেড়াচ্ছেন রাজ্যের পর্যটন শিল্পকে আরো উন্নতির পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।



