নজরবন্দি ব্যুরোঃ টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন। এরকমই চার জনের গোপন জবানবন্দী নেওয়ার আবেদন করল সিবিআই। তা নিয়ে এবার আদালতের প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি ছিনিয়ে চাকরি পাওয়ার পর কীভাবে তাঁরা সাক্ষী হতে পারে? অযোগ্যদের গোপন জবানবন্দী নেওয়ার পিছনে কী যুক্তি? প্রশ্ন করেন বিচারক।
সিবিআই সূত্রে খবর, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের বয়ানকে হাতিয়ার করে দুর্নীতির মাথাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে সিবিআই। সেক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া চার জনের বয়ান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছিল। তাই তাঁদের গোপন জবানবন্দী নেওয়ার জন্য আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।

আদালত সূত্রে খবর, সেই আবেদন দেখে বিচারকের প্রশ্ন, কেন যারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, তাঁদের বয়ান রেকর্ড করতে চায় সিবিআই? আদালতের এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে সিবিআইকে। এবিষয়ে সিবিআইকে আগামী ১৭ তারিখের মধ্যে জবানবন্দী দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। অর্থাৎ, আদালত জানতে চেয়েছে, কেন যারা টাকার বিনিময়ে চাকরি পেল, তাঁদের সাক্ষী হিসেবে দেখা হবে? কেন তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে? আগামী ১৭ তারিখ মামলার শুনানি রয়েছে। সেদিনেই জানা যাবে, ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া এই ব্যক্তিদের বয়ান নেওয়ার ক্ষেত্রে কী রায় দেয় আদালত?
অযোগ্যদের গোপন জবানবন্দী নেওয়ার পিছনে কী যুক্তি? জানতে চাইল আদালত

প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে ভুয়ো নিয়োগ নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য। সেখানে দেখা গেছে, কেউ নম্বর বাড়িয়ে আবার কেউ সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছে। আদালতের নির্দেশে এর আগে বহু জনের চাকরি গেছে। এখন তাদের বয়ানকে হাতিয়ার করে আগামী দিনে কী খুঁজতে চাইছে সিবিআই? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।



