নজরবন্দি ব্যুরোঃ একদিকে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস। অন্যদিকে, বিধানসভা ভবন। এক প্রান্তে বিজেপি, অন্যপ্রান্তে তৃণমূল। মাত্র ১ কিলোমিটারের ব্যবধানে কলকাতার দুই জায়গায় দাঁড়িয়ে যুযুধান দু’পক্ষ। অনতি দূরে থেকেও ‘বঞ্চনা বনাম দুর্নীতি’র প্রসঙ্গে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ে যেতে মরিয়া বিজেপি আর তৃণমূল৷ দুপুর পৌনে ২টোর মধ্যেই ধর্মতলায় পৌঁছে যাবেন অমিশ শাহ। অন্যদিকে, তার আগেই কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া পাওনার দাবিতে প্রতিবাদ জানিয়ে কালো পোশাক পরে একে একে বিধানসভায় আসতে শুরু করেছেন তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়কেরা।
আরও পড়ুনঃ অমিত শাহকে ৫১ হাজার চিঠি দিচ্ছে তৃণমূল, শাহী সভার দিনেই একাধিক ইস্যুতে সরব বাংলার শাসক দল
বাদ গেলেন না স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও, এদিন কালো পাড়ের শাড়ি পরে বিধানসভায় হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়কদের নিয়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও যোগ দেবেন তিনি। একদিকে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে আজ কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হতে চলেছে বিজেপি শিবির। আর তখনই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে আজই বিধানসভায় অম্বেদকর মূর্তির সামনে অবস্থানে বসবেন তৃণমূলের বিধায়করা।
দুর্নীতির অভিযোগ বনাম বঞ্চনার প্রতিবাদ, শাহী সফরের দিনে কালো পাড়ের শাড়িতে বিধানসভায় মমতা

সূত্রের খবর, আজ একশো দিনের কাজের টাকা, আবাস যোজনা, মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে অমিত শাহকে চিঠি দেবে তৃণমূল। দলের অন্দর থেকে পাওয়া খবর বলছে, সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার বকেয়া পাওনা নিয়ে যেখানে আন্দোলন থামিয়েছিলেন, কার্যত সেখান থেকেই তাঁরা এই কর্মসূচি নিতে চলেছে।

উল্লেখ্য, ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভাস্থলে জনসভা করছে রাজ্য বিজেপি। এই সভায় উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তিনিই এই সভার প্রধান বক্তা। দুপুর পৌনে ২টো নাগাদ সভায় আসার কথা তাঁর। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কার পরে কে বক্তৃতা করবেন সেটা ঠিক না হলেও শুরু এবং শেষটা চূড়ান্ত। প্রথমেই বক্তৃতা দেবেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি। শেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।



