নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় ৯ দিন ধরে তাঁকে বন্দি করেছিল পিপলস লিবারেশন আর্মি। সেই সময় নির্মম প্রহার করেছিল চিনা ফৌজ। ১৩ দিন পর বাড়ি ফিরেই বিস্ফোরক মন্তব্য অরুণাচলের যুবক মিরাম তারোনের। তাঁর বাবার অভিযোগ, হাত-পা বেঁধে চোখ বন্ধ করে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেছিল চিনা ফৌজ। এমনকি তাঁকে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়েছিল ।
আরও পড়ুনঃ Narendra Modi: যুব সমাজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এই বাজেট, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
শুধুমাত্র তাই-ই নয়, চিনা শিবিরে থাকাকালীন তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়ে বলে অভিযোগ। কানের খুব পাশে ম্যাগাজিন খালি করে দেওয়া হত। যার জেরে কানে তালা লেগে গিয়েছে তাঁর। গুলির ঝলকানিতে ঝাঁঝিয়ে গেছে চোখ। শরীরের একাধিক জায়গায় রয়েছে অত্যাচারের চিহ্ন।
উল্লেখ্য, ১৮ জানুয়ারি অরুণাচল প্রদেশের যুবকের অপহরণের অভিযোগ তুলে ট্যুইট করেন বিজেপি সাংসদ তাপির গাও। তিনি জানিয়েছেন, তারণের সঙ্গে জনি ইয়াইং নামের এক যুবক ছিলেন, চিনা আর্মির হাত থেকে সেই যুবক পালিয়ে এলেও তারণের অপহরণের খবর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের জানায় সে। সূত্রের খবর, অসমের আগে যেখানে সাংপো নদী প্রবেশ করছে সেখানেই এই ঘটনা ঘটেছে। সমস্ত আধিকারিকদের চেষ্টা চলছে বলে ট্যুইটে জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ।
রয়টার্সকে দেওয়া বয়ানে চিন জানিয়েছেন, অবৈধভাবে চিন সীমান্তে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল ওই যুবক। লাল ফৌজের তরফে জানানো হয়েছে, বেশকিছু রুটিনমাফিক প্রশ্ন করা হয়েছে তাঁকে। যদিও ভারতের তরফে যোগাযোগ করার পরেই ওই যুবককে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজি হয় চিন।
নির্মম প্রহার করেছিল চিনা ফৌজ, বিস্ফোরক অরুণাচলের যুবক

এর আগে ২০২০ সালে ৫ জন ভারতীয়কে অপহরণের অভিযোগ ওঠে চিনা ফৌজের বিরুদ্ধে। পরে ভারতীয় সেনা হস্তক্ষেপে তা বিঘ্নিত হয়। তবে ইদানিং ভারত এবং চিনের মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। লাদাখ থেকে শুরু করে অরুণাচল প্রদেশ অবধি চিনের আগ্রাসন বাড়ার অভিযোগ উঠছে বারবার। সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের ১৩ টি গ্রাম চিন নিজেদের মানচিত্রে প্রবেশ করানোর অভিযোগ। অভিযোগ ওঠে চিনা সেনার ব্রিজ গঠনকে কেন্দ্র করেও। যা নিয়ে সরকারের ভুমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা।



