Child Murder: মর্মান্তিক, মায়ের পরকীয়ায় পথের কাঁটা হওয়ায় খুন হতে হল এক রত্তি শিশুকে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মর্মান্তিক, মায়ের পরকীয়ার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ানোয় কি খুন হতে হল সাত বছরের ছেলে? তবে কে করল খুন করল তাকে? মা নাকি তার প্রেমিক নাকি দু’জনেই? এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে আসছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এমন এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির কামারতোর গ্রাম। মৃত শিশুটির নাম গোলাম সরোবর।

আরও পড়ুনঃ বিটি রোডে দুর্ঘটনার কবলে মদন মিত্র, মৃত্যু থেকে বেঁচে ফিরলেন তৃণমূল বিধায়ক

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ মায়ের সঙ্গে মেকাইল নামে এক যুবকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। আর সেই সম্পর্কের মাঝে কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল এই একরত্তি শিশুটি। কারণ শিশুটির মা এবং ওই যুবককে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে ফেলেছিল ছোট্ট শিশু গোলাম। এই মর্মান্তিক ঘটনার আগে শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। তিন দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না শিশুটিকে।

এরপর বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা পুলিশকে খবর দেয়। তারপর শুরু হয় তল্লাশি। অবশেষে তিন দিন পর কিছু দূরে ইটভাটার সামনে এক ঝোপ থেকে শিশুটির ক্ষত-বিক্ষত রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ পেয়ে তদন্ত নেমে প্রথমেই গ্রেপ্তার করা হয় মহাম্মদ মিকাইল নামে এক ব্যক্তি কে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই উঠে আসে এই ভয়ানক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত শিশুটির একাধিক জায়গায় ক্ষত চিহ্ন মিলেছে পুলিশ মনে করছে বাচ্চাটিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হতে পার, অথবা তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হতে পারে।

শিশুটির শরীরের ক্ষত পরীক্ষা করে পুলিশ সূত্রে খবর, ধারালো অস্ত্র ছাড়াও বন্যজন্তু খুবলে খেতে পারে এই শিশুটিকে। এই ঘটনায় মেকাইল এর পাশাপাশি মৃত শিশুটির মা শেলী খাতুন কেও শুক্রবার রাতেই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ মৃত মায়ের সঙ্গে মেকাইলের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল।

মর্মান্তিক, মায়ের পরকীয়ায় পথের কাঁটা হওয়ায় খুন হতে হল এক রত্তি শিশুকে

আর ছেলে তাদের ঘনিষ্ঠ দেখতে পাওয়াতেই পথের কাঁটা সরাতেই মা এবং প্রেমিক মিলে খুন করেছে ওই ছোট্ট শিশুকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করে শনিবার সকালে তাদের ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে বলে খবর।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত