জনগণনা ২০২৭ (Census 2027)-এর প্রস্তুতি শুরু হতেই রাজ্যের স্কুলশিক্ষকদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কলকাতা পুরনিগম (KMC) জেলা স্কুল পরিদর্শকের (DI) দফতরে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছে, শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক এবং স্কুলের ক্লার্কদের জনগণনার কাজে বাধ্যতামূলকভাবে অংশ নিতে হবে। এই দায়িত্ব পালনে অনীহা দেখালে সেন্সাস আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, জনগণনার কাজে নিযুক্ত কোনও শিক্ষক বা কর্মী যথাযথ কারণ ছাড়াই দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করলে Census Act, 1948 অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। এই আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হলে জরিমানা এবং কারাদণ্ড—দুইয়েরই বিধান রয়েছে।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তাই জনগণনার কাজে নিযুক্ত সকলকে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা স্কুল পরিদর্শকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পঠনপাঠনের স্বার্থে কিছু শিক্ষকের ক্ষেত্রে ছাড়ের আবেদন জানানো হতে পারে। তবে কলকাতা পুরনিগমের অবস্থান স্পষ্ট—এই বিষয়ে কোনও সাধারণ অব্যাহতির আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলেই জানানো হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, জেলা স্কুল পরিদর্শক যেন দ্রুত সমস্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকাদের কাছে এই নির্দেশ পৌঁছে দেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের জনগণনার দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, জনগণনা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও পরিসংখ্যানগত কর্মসূচি। কেন্দ্রীয় সরকারের আইন অনুযায়ী এই কাজে নিযুক্ত সরকারি কর্মচারীদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করা বাধ্যতামূলক। সেই কারণেই এবার শিক্ষকদেরও আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।






