আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত ভার হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তান্তরিত হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। তারপর থেকে একের পর এক ব্যক্তিকে ডেকে সিজিও কমপ্লেক্সে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সন্দীপ ঘোষকে। এছাড়াও কয়েকদিন আগেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ধৃত সঞ্জয় ঘনিষ্ঠ এক এএসআই পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এবার সেই তলবের তালিকায় ১২ জন পুলিশ কর্মীর নাম। হাজিরা দেন চিৎপুর থানার ওসি।
আজ শুক্রবার আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের করা তলবে ঘটনার দিন আউট পোস্টে কর্মরত ১২ জন পুলিশ কে ডেকে জিজ্ঞাসা বাদ করে সিবিআই। ওই দিন কারা কর্মরত ছিলেন, কখন ঘটনার খবর এসেছিল, কখনও থানাকে জানানো হয়েছিল, কে জানিয়েছিল, কখন দেহ উদ্ধার হয়, এ সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। দেহ ঠিক কখন ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল, এছাড়া কার নির্দেশে এত দ্রুত দেহ দাহ করা হল সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে পারে বলে খবর। এছাড়াও ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে তারা চিনতেন কিনা সে প্রসঙ্গেও জিজ্ঞাসা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত আরজি করের ঘটনা নিয়ে গোটা রাজ্য থেকে শুরু করে দেশ রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। এমনকি পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত লোপাটের অভিযোগ তুলেছেন অনেকে। গতকাল রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কটাক্ষের মুখে পরে রাজ্য। এদিকে আজ সিবিআইকে আর জি কর মেডিক্যালের যাবতীয় দুর্নীতির তদন্তভার দিল হাইকোর্ট। কাল সকাল ১০ টার মধ্যে তদন্ত-নথি হস্তান্তরের নির্দেশ বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের।



