নজরবন্দি ব্যুরোঃ রামপুরহাটে তৃণমূল উপপ্রধান ভাদু শেখের খুন এবং বাগটুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য থেকে জাতীয় রাজনীতি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেও বিরোধীদের তরফে অভিযোগ ওঠে তদন্তকে প্রভাবিত করতেই একাজ করছেন তিনি। রবিবার সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, বিজেপি লাভের লোভে ঘটনাকে নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে। সিবিআই ও বিজেপি একযোগে কাজ করছে।
আরও পড়ুনঃ Rampurhat Incident: পুলিশের ভুল ছিল, রামপুরহাট কাণ্ডে মন্তব্য মমতার


তৃণমূল সাধারণ সম্পাদকের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী নয়, বিজেপি তদন্ত প্রভাবিত করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে। তাদের যেন উপযুক্ত ধারা দেওয়া হয়। তার সঙ্গে তদন্তে প্রভাবের কী সম্পর্ক? যে কোনও নিরপেক্ষ সুস্থ প্রশাসক, পুলিশমন্ত্রী, তিনি তো এই কথাই বলবেন।

বিরোধীদের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তৃণমূল নেতা প্রশ্ন, কোথাও কোনও অঘটন ঘটেছে, এই ধরনের মর্মান্তিক, পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছে, গণহত্যা ঘটেছে, আর সেই ঘটনাস্থলে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নেই কোনও দলেরই মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আর এক জনেরও ছবি দেখাতে পারবেন না। নন্দীগ্রামের ঘটনার সময় মমতা ছিলেন, রামপুরহাটেও মমতা আছেন। সে দিন নন্দীগ্রামে কিন্তু বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ছিলেন না। রামপুরহাটে কিন্তু বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম রামপুরহাটে গিয়েছিলেন। বাম আমলে একের পর এক গণহত্যা হয়েছে, কোথাও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী রাজধর্ম পালন করেননি।


এরপরেই বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, গুজরাতে দাঙ্গা হয়েছে, এত মানুষ মারা গিয়েছেন, অটলবিহারী বাজপেয়ীকে রাজধর্ম শেখাতে হয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে। বলতে হয়েছে রাজধর্ম পালন করুন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শেখাতে হয় না।
সিবিআই ও বিজেপি একযোগে কাজ করছে, রাজধর্মের কথা উল্লেখ করলেন কুণাল

শনিবার থেকেই রামপুরহাট ঘটনায় তৎপর হয়েছে সিবিআই। রামপুরহাট হাসপাতালে ভর্তি প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে বয়ান নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। রামপুরহাট থানা থেকে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেনকে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে সিবিআই অফিসাররা।








