নজরবন্দি ব্যুরোঃ গাড়িতে নীলবাতি এবং লালবাতির ব্যবহার নিয়ে ফের রাজ্যের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গে রাজ্যের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ। এখনও অবধি কতগুলি মামলা হয়েছে? বাতির ব্যবহার নিয়ে কী পদক্ষেপ? সেবিষয়ে রিপোর্ট জানাতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট।
আরও পড়ুনঃ Suvendu-Suprakash: হিংসে থেকেই সুপ্রকাশ সম্পর্কে মন্তব্য, শুভেন্দুকে আইনি নোটিশ
এর আগে বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের গাড়িতে লালবাতি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। পরে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। এদিন প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, এত লালবাতি এবঙ্গ নীলবাতি ব্যবহারের কারণ কী? যে সমস্ত লাল বাতি এবং নীল বাতি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটা কী বৈধ? নিয়ম ভঙ্গ করলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১৯ অনুযায়ী মামলা রুজু করে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা। রাজ্যে কত মামলা হয়েছে? জানতে চান প্রধান বিচারপতির।

গত এপ্রিল মাসে বীরভূম থেকে কলকাতার চিনার পার্কের বাড়িতে এসেছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এখান থেকে পরের দিন চলে আসেন এসএসকেএম হাসপাতালে। যে গাড়িতে করে অনুব্রত কলকাতায় এসেছিলেন, তাঁর গারীতে লাগানো ছিল লালাবাতি। কেন লালবাতি লাগানো হয়েছে? প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। একইসঙ্গে মামলাকারীর বক্তব্য ছিল, কলকাতা আসার সময় পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, কলকাতা এবং হাওড়া পেরিয়ে আসতে হয়েছে। এই সমস্ত জেলা প্রশাসন কী করছিল? তা জানতে চাওয়া হয়।
বাতির ব্যবহার নিয়ে কী পদক্ষেপ? রাজ্যকে একাধিক প্রশ্ন আদালতের

এদিন আদালতের বক্তব্য ছিল শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দলের পদাধিকারী হয়ে এভাবে লালবাতি লাগানো যায় না। অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কেন কোন পদক্ষেপ নেওয়া হল না? প্রশ্ন তোলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, গাড়িতে লালবাতি লাগিয়ে আইন ভঙ্গ করেছেন অনুব্রত মণ্ডল। পুলিশের জরিমানা করা উচিত ছিল। কেন্দ্র সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেও কেন অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হল না? এরপরেই আদালতে মামলা দায়ের হয়।



