নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েতের আগেই সরগরম রাজ্য-রাজনীতি! উপনির্বাচনে জিতে ৩ মাসের মধ্যেই দল বদল করেছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। ঘাটালে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বাইরন। তার বিধায়কের এই যোগদানের ফলে ফের বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে কংগ্রেস-সিপিএম। তবে দলবদলের ঘটনায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি রাজ্যের শাসক বিরোধী দলগুলি!


বাইরনের দলবদলে শাসক শিবিরকে খোঁচা দিতে ছাড়েনি বাম-কংগ্রেস সমর্থিত বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। যেহেতু বাইরনের মতোই নওশাদও বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে ভাঙড় থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন। তাহলে কি, বাইরনের পরে কি এবার নওশাদ তৃণমূলে যোগ দেবেন? এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে উঠছিল একাধিক প্রশ্ন! তবে সেই সব প্রশ্নে এক প্রকার জল ঢেকে দিয়েছিলেন ভাঙড় বিধায়ক। পাশাপাশি সেই সঙ্গে সাগরদিঘীর বিধায়ককে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তিনি।

এবার নওশাদের কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিলেন বাইরন। কিছুটা মজার ছলেই বলেন, “হ্যাঁ আমি প্রচুর টাকা পেয়েছি। সব ঘরে রেখে দিয়ে এসেছি। ছটা মন্ত্রিত্ব দেবে বলেছে। পাইলট কার নিয়ে ঘুরে বেড়াবো। আমি ওই সব বড় বড় কথা বলতে পারবো না। আমি মানুষের উন্নয়নের কাজ করতে এসেছি। আমাকে লোভ দেখানো হয়নি। আমি কাজে বিশ্বাসী। সাগরদিঘির মানুষের কাজ করব।”



প্রসঙ্গত, দলবদলের প্রসঙ্গে নওশাদ বলেন, “তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না! ভাঙড়ের মানুষজন তৃণমূল এবং বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করে আমাকে জিতিয়েছিলেন। তাই সাধারণ মানুষের জনাদেশ নিয়েই আমাকে চলতে হবে। তাঁদের বিশ্বাসের অমর্যাদা করতে পারব না। পদবি বিশ্বাস হলেই যে মানুষের বিশ্বাসের দাম দেওয়া যায় এমনটা নয়। আমি কখনই মানুষের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করতে পারবেন না।”
বড় বক্তব্য আমি দেব না, পাল্টা খোঁচা বাইরনের








