নজরবন্দি ব্যুরোঃ গ্রিণ সিগন্যাল কমিশনের, সব ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের শেষেই রাজ্যে হতে চলেছে বিধানসভার বকেয়া নির্বাচন। রাজ্যের কোভিড গ্রাফ কিছুটা কমার পর থেকেই উপনির্বাচন নিয়ে তৎপর হয়েছে শাসক দল। দিন কয়েক আগেও ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল গিয়েছিলেন কমিশনের দরজায়। বক্তব্য ছিল দৈনিক সংক্রমণ ২০ হাজারের ওপরে থাকার পরেও যদি ভোট হয় তাহলে এখন তা হাজারের নীচে নামার পরেও কেন এগিয়ে আসছে না নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুনঃ মমতার পদত্যাগ চেয়ে অধিবেশনের শেষ দিনে সংসদের বাইরে সরব BJP
তবে এবার গ্রিণ সিগন্যাল এসেছে কমিশনের তরফে। রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি দল যে হারে বারবার দরবার করেছে নির্বাচন কমিশনের অফিসে, সূত্রের খবর এবার বাংলার বকেয়া ভোট মিটিয়ে দিতে চাইছেন কমিশনের আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই রাজ্য নির্বাচন আধিকারিক দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা হয়েছে।
গ্রিণ সিগন্যাল কমিশনের, বকেয়া ভোট নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য নির্বাচন আধিকারিক দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
২১ এর বিধানসভা নির্বাচন মিটেছে মে মাসের শুরুতেই, প্রথম সপ্তাহেই বেরিয়েছে ফলাফল। তবে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। নন্দীগ্রামে প্রাক্তন সেনাপতির কাছে ভোটে হেরে গিয়ে ফের পুরানো গড় ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে লড়বেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকি ৪ জায়গার বিধায়করা ভোট জিতেও ছেড়েছেন আসন, কেউ প্রাণ হারিয়েছেন করোনা কবলে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের দুই আসনের প্রার্থী ভোটের আগেই প্রয়াত হওয়ায় ভোট বাকি আছে। সব মিলিয়ে ভোট হবে মোট ৭ আসনে।
নিয়ম মাফিক বাই ইলেকশন হতে হয় ফলাফলের ৬ মাসের মাথায়। আর মাঝে হাতে মাত্র মাস তিনেক। সব ঠিক থাকলেই সেপ্টেম্বরের শেষেই ভবানীপুর, খড়দা, গোসাবা, শান্তিপুর, দিনহাটা, এই পাঁচ আসনে উপ নির্বাচন এবং সামশেরগঞ্জ, জঙ্গিপুর বিধানসভা আসনে ভোট হবে সামনের মাসে। রাজ্যের ৭ কেন্দ্রের উপনির্বাচন করাতে সব প্রস্তুতি চলছে, পরীক্ষা করা হচ্ছে ইভিএম।



