নজরবন্দি ব্যুরোঃ কলকাতার ১৪৪ টি ওয়ার্ডের ভোটে প্রহসন হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে সোমবার বিজেপির মিছিল শুরু হয় রাজ্য সদর দফতর মুরলীধর সেন লেন থেকে। কিন্তু মিছিলে মেলেনি অনুমতি, পুলিশ আটকায় তাঁদের। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের। গোটা ঘটনাকে ঘিরে ধুন্ধুমার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ চত্বর।
আরও পড়ুনঃ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড ঘিরে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, জানুন বিস্তারিত
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুরভোটের বিজেপি প্রার্থীরা। এর মধ্যে পুলিশের ঘায়ে একজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। উপস্থিত ছিলেন সায়ন্তন বসু, জয়প্রকাশ মজুমদার, কল্যাণ চৌবে সহ অন্যান্য রাজ্য বিজেপি নেতারাও। কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের লাঠির ঘায়ে আহত হয়েছেন একজন প্রার্থীও।
রবিবার কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ডে চলে নির্বাচন। ১৪৪ টি ওয়ার্ডের নির্বাচনকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ জমা পড়তে শুরু করে। প্রহসনের রাজনীতি চলছে এই অভিযোগ গিতকাল থেকেই তুলতে শুরু করেছিল গেরুয়া শিবির। এমনকি ভোট লুঠ, এজেন্টদের বসতে না দেওয়া এবং অবৈধ ভোটের অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তাঁরা। গতকাল থেকেই কলকাতার রাজপথে মিছিলের ডাক দিয়েছিল রাজ্য বিজেপির নেতৃত্ব। তাই আগে থেকে ব্যবস্থা নিয়েছিল কলকাতা পুলিশ। ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় ওই এলাকা।
এবিষয়ে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়েছেন, মাননীয়া পুলিশকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। বিজেপির কথা বলছেন নাটক করছে। আর ধন্যবাদ দিচ্ছেন মানুষকে নয়, পুলিশকে। কারণ, মানুষের ওপর বিশ্বাস মাননীয়ার শেষ হয়ে গেছে। আর মানুষেরও বিশ্বাস তৃণমূলের ওপর শেষ হয়ে গেছে।
মিছিলে মেলেনি অনুমতি, রণক্ষেত্র গোটা এলাকা
বিজেপি সায়ন্তন বসু বলেন, গতকালের নির্বাচনে আমরা দেখেছি বুথ থেকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যের ভোট দিয়ে দেওয়া হয়েছে। মিছিলের আগে মহিলারা চা খাচ্ছিল মিছিলের জন্য তৈরি হবে বলে। তাঁদেরকেই তুলে নিয়ে চলে গেছে। বিজেপির মিছিল ছিল ধর্মতলা অবধ। কিন্তু বিজেপির মিছিল ছিল না। যুব মোর্চার মিছিলেই এই ভয় পাচ্ছে।



