নজরবন্দি ব্যুরোঃ সংঘাত শুরু হয়েছিল জেলা সংগঠনের সভাপতিকে কেন্দ্র করে। একের পর এক বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন বাঁকুড়ার চার বিধায়ক। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চান বাঁকুড়ার বিক্ষুব্ধ বিধায়করা। সেই তালিকায় রয়েছেন ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা এবং ইন্দাসের বিধায়ক নির্মলকুমার ধাড়া।
আরও পড়ুনঃ Inheritance law: পিতার মৃত্যুর পর তাঁর অর্জিত সম্পত্তি পাবেন কন্যা, রায় সুপ্রিম কোর্টের
ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখার বক্তব্য, ব্যক্তিগত কারণেই নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে চাইছেন তাঁরা। তবে যত সহজে বিজেপি বিধায়করা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন ততটাই সহজ মনে করছে না রাজনৈতিক মহল। কারণ, পূর্বেও এধরনের ঘটনা ঘটলেও সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এর পিছনের দলবদলের সম্ভাবনা খুঁজে পাচ্ছেন অনেকেই।
যদিও পুরো ঘটনার কারণ হিসাবে মনে করা হচ্ছে বাঁকুড়া জেলার সাংগঠনিক সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই। যার অসন্তোষের কারণে প্রথমে সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন চার বিধায়ক। তাঁরা হলেন,বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা, ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা, সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি এবং ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল ধাড়া। গতকালই জেলা সাংগঠনিক পদে রদবদল চেয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দেন চার জনেই। একই অভিযোগ জমা করেছেন পুরুলিয়ার পাঁচ বিধায়কও। এরপরেই কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারের জন্য আবেদন জানালেন দুই বিধায়ক।
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চান বাঁকুড়ার বিক্ষুব্ধ বিধায়করা, জানালেন ব্যক্তিগত কারণ

যদিও বিধায়কদের দাবী, দলের প্রতি কোনও ক্ষোভ নেই। যেখানে জানানোর সেখানে জানিয়েছি। নিরাপত্তার বিষয়টি একেবারেই ব্যক্তিগত। তবে গত কয়েকদিন ধরে বিজেপির অন্দরে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তাতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের দিকেও। নাম না করেই আগে থেকেই সাংগঠনিক সভাপতি অমিতাভ চক্রবর্তীর ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এবার সেই ক্ষোভে ঘৃতাহুতি দিল দুই বিধায়কের সিদ্ধান্ত।



