বাংলার বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা ঘনিয়ে আসতেই দিল্লিতে বাড়ছে রাজনৈতিক তৎপরতা। একের পর এক বৈঠকে বসছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই প্রায় ১৫০টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা সেরে ফেলেছে বিজেপি। সেই কারণেই বৃহস্পতিবারও দিল্লিতে J. P. Nadda-র বাসভবনে বসে বিজেপির কোর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। রাজনৈতিক মহলের মতে, খুব শিগগিরই বাংলার প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে পারে।
শনিবার কলকাতার ঐতিহাসিক Brigade Parade Ground-এ সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi। সেই সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বঙ্গ বিজেপির অন্দরে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বাংলায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে যাওয়ার পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, আগামী সপ্তাহেই প্রকাশ হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট।


এই পরিস্থিতিতেই দিল্লিতে বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে নিবিড় আলোচনা। বুধবার রাতের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার দুপুরেও নাড্ডার বাসভবনে কোর কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে বাংলার প্রায় ১৫০টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দুপুরের বৈঠকে বাকি আসনগুলির সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।
দলীয় সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বৈঠকেই Bharatiya Janata Party-র তরফে বাংলা ও কেরলের প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হতে পারে।
এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari। তিনি বলেন, “তৃণমূলকে হারানোর পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে বিজেপি। প্রার্থী তালিকা ইমমেটিরিয়াল। উপরে পদ্ম, নীচে নরেন্দ্র মোদি।”


একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিসর্জনের নির্বাচন হবে। পাশাপাশি শনিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভাকে ‘ঐতিহাসিক’ বলেও দাবি করেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন ঘোষণা ঘনিয়ে আসতেই এখন প্রার্থী নির্বাচন, সাংগঠনিক প্রস্তুতি এবং বড় জনসভা—সব মিলিয়ে বিজেপি শিবিরে বাড়ছে নির্বাচনী তৎপরতা।







