নজরবন্দি ব্যুরোঃ শাহ’র সভায় প্রবেশ নিষেধ, বাইরে দাঁড়িয়ে রইলেন দলবদলু বিধায়ক বিশ্বজিৎ! বাংলার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার জোর কদমে শুরু করেছে সমস্ত রাজনৈতিক দলই। একের পর এক সভা ও পাল্টা সভা হচ্ছে প্রতিদিনই। পাখির চোখ বাংলার মসনদ দখলের দিকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা রাজ্যে আসছেন সভা করতে। ভোটের আগেই রাজ্য রাজনীতিতে একাধিক চমক দেখা গেছে।
আরও পড়ুনঃ কংগ্রেসের হুমকি! এবার কঙ্গনার ছবির শুটিংএ থাকবে সরকারী নিরাপত্তা


বিগত কয়েক মাস ধরেই হেভিওয়েট নেতাদের দলবদলের পালা চলছে রাজ্যে। এমন সময়ে নতুন জল্পনা সৃষ্টি হল রাজনীতি মহলে। ঠাকুরনগরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সভায় ঢুকতে বাধা দেওয়া হল বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসকে। প্রায় আধঘণ্টা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকাতে হয় তাকে। পরে শুভেন্দু অধিকারীর সহযোগিতায় সভাস্থলে যান বিশ্বজিৎ দাস। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সাক্ষাতের কারণেই এমন ঘটনা।
উল্লেখ্য, গত সোমবার বিধানসভার অধিবেশনের শেষ দিনে বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘরেও যান তিনি। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলার তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, পার্থ ভৌমিক। প্রায় ২০ মিনিট কথা হয় তাদের। তারপর থেকে শুরু হয় জল্পনা। তবে কি নতুন দলবদলের ইঙ্গিত ছিল ওই বৈঠক? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তারপরেই দেরি না করে বিধায়কের সাথে বৈঠক করেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং মুকুল রায়।
বৈঠকে কি আলোচনা হয়েছে তা নিয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি দলের তরফে। এবিষয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, দলের সঙ্গে কথা বলেই বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে বিধানসভায় কথা বলেন। এরপরই গতকাল বৃহস্পতিবার ঠাকুরনগরে শাহ’র সভায় আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও সভাস্থলে প্রবেশে বাধা পান বিশ্বজিৎ দাস। জানা গেছে, শুভেন্দু অধিকারীকে গোটা বিষয়টি জানান তিনি। তারপর শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে আলোচনা করে তার অনুষ্ঠানে প্রবেশের ব্যবস্থা করেন শুভেন্দুু।


শাহ’র সভায় প্রবেশ নিষেধ, বাইরে দাঁড়িয়ে রইলেন দলবদলু বিধায়ক বিশ্বজিৎ! রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎই এই ঘটনা একমাত্র কারণ। এবং ঘটনার নেপথ্যে রয়েছন শান্তনু ঠাকুর।







