আজ, রবিবার ছিল ডুরান্ড ডার্বি। কিন্তু, সেই বড় ম্যাচ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডুরান্ড কমিটি। এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান সমর্থকেরা আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে মাঠে স্লোগান তুলবেন বলে ঠিক হয়। আর এই বিষয়টি জানাজানি হতেই ম্যাচ বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, ম্যাচ ভেস্তে গেলেও রবিবার বিকেল ৫টার সময় সল্টলেক যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সামনে দুই দলের সমর্থকেরা হাজির হয়ে আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ জানাবেন বলে সিদ্ধান্ত নেয়।
এই কর্মসূচির মাত্র কয়েকঘন্টা আগে বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করল বিধাননগর পুলিশ। সাংবাদিক বৈঠক করে একটি অডিও ক্লিপ (সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি) সামনে আনেন তাঁরা। সেখানে শোনা যায়, একজন সমর্থক এদিন অস্ত্র-লাঠি নিয়ে মাঠে আসার পরিকল্পনা করছেন। এই ঘটনায় পাঁচ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। প্রশাসনের বক্তব্য, প্রতিবাদের নামে যুবভারতীতে অশান্তির পরিকল্পনা কিছু লোকের।


সেই কারণে, আজ বিকেল ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ নম্বর ধারা (১৪৪ আইপিসি) জারি করা হয়েছে। যুবভারতী চত্বরে জমায়েত করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিধাননগর কমিশনারেট। সঙ্গে তিনি এও বলেছেন, শান্তিপূর্ণ মিছিলে তাঁদের আপত্তি নেই কিন্তু অরাজকতা তৈরি হলে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়তে পারেন। তিনি জানিয়েছেন, এদিন অশান্তি সৃষ্টি করার পরিকল্পনা ছিল কয়েকজনের, সেই সংক্রান্ত প্রমাণও রয়েছে পুলিশের কাছে।
ইতিমধ্যেই মেঘ-বৃষ্টি মাথায় করে অনেক জায়গা থেকে সমর্থকেরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছেন। তার আগেই মিছিলে ‘না’ বলে দিল বিধাননগর পুলিশ। এক ইস্টবেঙ্গল সমর্থক অভিযোগ করেছেন, তাঁকে পুলিশ শনিবার ফোন করে রীতিমতো হুমকি দেন এবং যুবভারতীর কর্মসূচি বাতিল করতে বলেন। সব মিলিয়ে, আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমেই জটিল হচ্ছে রাজ্যের পরিস্থিতি।







