নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলার কেস লড়তে চাননা বাঙালি বিচারপতি! রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে যে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিমকোর্টে তা থেকে সরে দাঁড়ালেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত রয়েছে ওই মামলা।
আরও পড়ুনঃ ভারতে করোনার তৃতীয় তরঙ্গ আসতে পারে সেপ্টেম্বরেই! আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের
২১ এর নির্বাচন মিটেছে বাংলায়। ফল প্রকাশ হয়েছে ২রা মে। হ্যাট্রিক জয়ের পর ফের মসনদে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য চালাচ্ছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। তবে জুনের শেষে গিয়েও রাজ্যে জারি রাজনৈতিক হিংসা। ফলাফলের পর থেকে এখনো পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে চলেছে একই ঘটনা। বিজেপির অভিযোগ ক্ষমতায় এসে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। আরও অভিযোগ, রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসন সব জেনেও চুপ।
ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বারবার সরব বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা, এই বিষয়ে গত দু’মাস ধরে রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীকে লাগাতার আক্রমণ করে গেছেন রাজ্যের রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় টিম এসে পরিদর্শন করে গিয়েছে রাজ্যের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই দুই বিজেপি কর্মী, অভিজিত সরকার এবং হারান অধিকারী খুনের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলা। নিহতদের পরিবার সিবিআই তদন্ত চেয়ে দ্বারস্থ হয়েছিল আদালতের। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চে ছিলেন বাঙালি আইনজীবী ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
বাংলার কেস লড়তে চাননা বাঙালি বিচারপতি! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা স্থগিত সুপ্রিম কোর্টে। বিশেষ সুত্রের খবর নিজেকে এই মামলা থেকে সরিয়ে নিয়েছেন ইন্দিরা দেবী। তিনি সাফ জানিয়েছেন, তিনি চাননা এই মামলা তাঁর এজলাসে উঠুক। কারণ কিছু তিনি স্পষ্ট করে না জানালেও ওয়কিবহাল মহলের মতে বাংলার মামলা বাঙালি আইনজীবীর হাতে গেলে কখনো পক্ষপাতের অভিযোগ উঠতে পারে, তাতেই তিনি তাঁর এজলাস থেকে মামলা সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায় সরে দাঁড়ানয় আপাতত স্থগিত রয়েছে ওই দুই বিজেপি কর্মী খুনের মামলা।



