নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফাইনালের শুরুটা ভাল হল না বাংলার জন্য। ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছেন মনোজরা। প্রথম দিকের কোনও ব্যাটারই টিকতে পারলেন না। দুই বাঁহাতি ব্যাটার শাহবাজ় এবং অভিষেক মিলে কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করছেন। ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছে বাংলা।
আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র বন্ধু হওয়ার কারণে হেনস্থা করছে পুলিশ, হাইকোর্টের দ্বারস্থ নওশাদের বন্ধু
টস জেতার পর পরই সৌরাষ্ট্র অধিনায়ক উনাদকাট বলেছিলেন, ইডেনের পিচে প্রাণ আছে। এবং শুরুতেই ইডেনের পিচ থেকে সুবিধা নিতে চান তাঁরা। যেমন বলা তেমনই কাজ। জয়দেব উনাদকাট প্রথম ওভারেই ফেরান বাংলার ওপেনার অভিমন্যু ইশ্বরনকে। খাতা না খুলেই ফিরতে হয় তাঁকে। তার পর একে একে নিভিছে দেউটি। প্রথম ৪৫ মিনিটেই বিধ্বস্ত বঙ্গ-শিবির।

সৌরাষ্ট্রের তিন পেসার মিলে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলার। মাত্র ১ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলা। শূন্যতে ফেরেন বাংলার ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে আবার উইকেট। একটা নয়, দুটো। অভিষেক হওয়া সুমন্তকে ফেরান সাকারিয়া। ওভারের চতুর্থ বলে বোল্ড ছন্দে থাকা সুদীপ ঘরামি। মাত্র দুই বল ক্রিজে টেকেন। ২ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলা।

রান পাননি মনোজ তিওয়ারিও। ৭ রানে ফেরেন বাংলার নেতা। এরপর কিছুক্ষণ উইকেটে থাকার চেষ্টা করেন অনুষ্টুপ মজুমদার। তিনটে চারও মারেন। মনে হচ্ছিল তাঁর হাত ধরে হয়তো বাংলা ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু ৩৫ বলে ১৬ রান করে আউট হন সেমিফাইনালে শতরান করা ব্যাটার। ৩৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলা। এখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন শাহবাজ আহমেদ এবং আকাশ ঘটক।
ফাইনালের শুরুটা ভাল হল না মনোজদের, ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলা

ষষ্ঠ উইকেটে ৩১ রান যোগ করে এই জুটি। প্রথম এক ঘণ্টার ধাক্কা সামলে পার্টনারশিপ গড়তে শুরু করে। কিন্তু আবার বাংলাকে ধাক্কা দেন সাকারিয়া। ফিরিয়ে দেন আকাশকে (১৭)। ক্রিজে রয়েছেন শাহবাজ (২৬) এবং অভিষেক (৫)। বাংলাকে ভদ্রস্ত রানে পৌঁছে দিতে এই দু’জনই শেষ ভরসা।







