নজরবন্দি ব্যুরো: ইঞ্জিন সমস্যার কারণে পিছিয়ে যাওয়ার কয়েক দিন পরে, নাসা শনিবার চাঁদে তার প্রথম যাত্রায় তার স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS) চালু করার ফের চেষ্টা শুরু করেছে। রকেটটি তার প্রথম যাত্রায় ওরিয়ন মহাকাশযানকে নিয়ে পাড়ি দেবে যা ভবিষ্যতে মানুষের চন্দ্রপৃষ্ঠে পৌঁছানোর মঞ্চ তৈরি করার লক্ষ্য নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট ‘আর্তেমিস ১’ উৎক্ষেপণের তারিখ প্রথমে ধার্য করা হয়েছিল ২৯ আগস্ট।
আরও পড়ুন: ভারতে কর্মসংস্থান কমছে, হু-হু করে বাড়ছে বেকারত্বের হার
কিন্তু সেদিন রকেটে ত্রুটি ধরা পড়ায় ঠিক হয় ২ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপণ করা হবে রকেটটি। পরে ঠিক হয়, ৩ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপণ করা হবে রকেটটি। কিন্তু আবারও ব্যর্থ হল অভিযান। স্পেসক্রাফ্টটি ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে লঞ্চপ্যাড 39B থেকে উৎক্ষেপিত হবে।নাসার তরফে একটি বিবৃতি জারি করে বলা হচ্ছে, “গত সোমবার, 29 অগস্ট পূর্ববর্তী লঞ্চের প্রচেষ্টার পর থেকে আমাদের দলগুলি এই স্পেসক্রাফ্টের সফল উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া আপডেট করেছে, অনুশীলন করা হয়েছে এবং টাইমলাইনও নতুন করে সেট করা হয়েছে।”

শনিবার ভারতীয় সময় রাত 11টা 45 মিনিটেই চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ছিল পরবর্তী প্রজন্মের স্পেসক্রাফ্টটি। কিন্তু জানা যাচ্ছে, আগের দিনের মতো এদিনও রকেটের তরল হাইড্রোজেনের ট্যাঙ্কে ছিদ্র ধরা পড়াতেই বাতিল করা হয় উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা। তবে একেবারে শেষ মুহূর্তে। কাউন্ট ডাউনও শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আচমকাই ত্রুটি নজরে আসায় থামিয়ে দেওয়া হয় রকেট। বাতিল করা হয় অভিযান।
ব্যর্থ নাসার চন্দ্রাভিযান, পিছোল ‘আর্তেমিস ১’-এর উৎক্ষেপণ

জানা গেছে, আগের যে কোনও চন্দ্রযানের তুলনায় ‘আর্টেমিস ১’-এর বেশি দূরত্ব পাড়ি দেওয়ার কথা। ৪২ দিনে ৬০ হাজার কিলোমিটার। এই অভিযান সফল হলে ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদের মাটিতে নভোশ্চর পাঠাবে নাসা। প্রসঙ্গত, শেষবার মানুষ চাঁদে হেঁটেছিল 1972 সালে। সে সময় অ্যাপোলো 17 টিমের জিন সারনান এবং হ্যারিসন স্মিট দুজন মিলে সফল ভাবে সেখানে অবতরণ করেছিলেন।



