নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভাঙড়ে নিজের খাস তালুকে হারলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম। হারের পর গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। ভাঙড়ের পোলেরঘাট ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত ছাতছাড়া হল তৃণমূলের। গত পঞ্চায়েত ভোটেও তৃণমূলকে লড়াই দিয়েছিল জমি কমিটি। এদিন ফল ঘোষণার পরে আরাবুল ইসলাম বলেন, ‘‘পোলেরহাট ২ গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়া বাকি সব ৯টা পঞ্চায়েতেই তৃণমূল বোর্ড গঠন করবে৷
আরও পড়ুনঃ টিকিট দিল সিপিএম, পঞ্চায়েত ভোটে জিতেই তৃণমূলে যোগ বাম প্রার্থীর


একটাতে আমরা হেরেছি, ২টো, ৪টে, ৫টা ভোটে হেরেছি হতেই পারে৷ ’’ এবছর পোলেরহাট ২ নম্বর পঞ্চায়েতে এবার আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ২৪। সব আসনেই এবার লড়াই করে জমি রক্ষা কমিটি এবং আইএসএফ (ISF) সমর্থিত নির্দলরা। জানা গিয়েছে, এই ২৪ আসনের বেশিরভাগেই জয়ী হয়েছেন জমি কমিটির নির্দলরা।

ফলাফল স্পষ্ট হতেই এদিন গণনাকেন্দ্র ছাড়েন আরাবুল। তিনি স্বীকার করে নেন, পোলেরহাটের বেশিরভাগ আসনে পরাস্ত হয়েছে তৃণমূল। ২০১৬ সালে ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনের সময় তৈরি হয়েছিল জমি, জীবিকা ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষা কমিটি বা জমি কমিটি। গতবারও পঞ্চায়েত ভোটে লড়াই করেছিল তারা।



তাদের মনোনয়নপত্র পেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। তার পর হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন জমি কমিটির সদস্যরা। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের সঙ্গে এবার অনেকটাই ফারাক রয়েছে। কারণ ২০২১ সালে ভাঙড়ে জয়লাভ করেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।
নিজের ঘরেই হার আরাবুল ইসলামের! ভাঙড়ের পোলেরঘাট ২ গ্রাম পঞ্চায়েত হাতছাড়া হল তৃণমূলের

তারপর থেকে ভাঙড়ে দাপট বেড়েছে আইএসএফের। এবারও ভাঙড়ে মনোনয়নপত্র পেশ ঘিরে তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষ বেধেছিল আইএসএফের। তার ফলে জমি কমিটির সঙ্গে তৃণমূলের বিবাদ আর নেই। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের ফল বলছে, পোলেরহাটে এখনও জমি কমিটির একটা বড় সমর্থন রয়েছে।







