এবার টালিগঞ্জ স্টুডিও পাড়াতেও থ্রেট কালচারের অভিযোগ উঠল। একের পর এক কাজ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় বিপুল অংকের দেনায় জর্জরিত হয়ে উঠেছিলেন এক হেয়ার ড্রেসার। যেমনটা জানা গেছে সিলেকশনের বদলে ইলেকশন চেয়েছিলেন ওই হেয়ার ড্রেসার আর যার পরিনাম হিসেবে ওই শিল্পীর কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠলো হেয়ার ড্রেসার গিল্ড ও ফেডারেশনের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনায় গিল্ডের ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে হরিদেবপুর থানায়। আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই হেয়ার ড্রেসার
সূত্রের খবর ওই হেয়ার ড্রেসার কে প্রায় তিন মাস কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। যে কারণে বিপুল অঙ্কের দেনায় জর্জরিত হয়ে ওঠেন ওই হেয়ার ড্রেসার। পরে ওই সাসপেনশন তুলে নিলেও তার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাখা হয়। যার ফলে ঠিক মতো কাজ পাচ্ছিলেন না ওই শিল্পী। পুরো ঘটনার অভিযোগ গিল্ডের বিরুদ্ধে যেই গিল্ডের বিরুদ্ধে অন্তর্ভুক্ত ওই হেযার ড্রেসার। মূলত তার দাবি ছিল এবছর গিল্ডের যে ইলেকশন হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি বদলে পছন্দের কিছু ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া হয়েছে অর্থাৎ একপ্রকার সিলেকশন হয়েছে। যেটার বিরোধিতা করেছিলেন ওই হেয়ার ড্রেসার। আর তারপরে তাকে কর্মহীন হয়ে পড়তে হয়। এরপর দেনায় জর্জরিত হয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই তরুণী হেয়ার ড্রেসার।
শুধু তাই নয় এই সাসপেন্ড এর আওতায় ছিল আরো বেশ কিছু টলিউডের কর্মীরা। যারা সিলেকশনের বদলে ইলেকশনের দাবি জানিয়েছিলেন। যদিও এর আগে এক পরিচালককে সাসপেন্ড করা নিয়ে পরিচালক এবং ফেডারেশনের মধ্যে দীর্ঘ টানা পোড়েন চলেছিল। এবং যার ফলে একটা দীর্ঘ সময় ধরে কর্ম বিরতির ডাক দিয়েছিলেন পরিচালকরা। যেখানে হস্তক্ষেপ করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। এই কর্ম বিরতিতে হস্তক্ষেপ করে মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান স্টুডিও পাড়ায় কাউকে সাসপেন্ড করা যাবে না। কিন্তু তারপরেও কিভাবে তিন মাস সাসপেন্ড করা হলো ওই হেয়ার ড্রেসার কে সে নিয়েই উড়ছে প্রশ্ন।



