নজরবন্দি ব্যুরোঃ আর কয়েকদিন পরেই মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘ওএমজি ২’। প্রায় একদশক আগে এই ছবির প্রথম সিক্যুয়েল মুক্তি পেয়েছিল। ২০১২ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘ওএমজি: ওহ মাই গড’। এই ছবিরই দ্বিতীয় সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনার শেষ ছিল না। কিছুদিন আগেই তার প্রথম ঝলক সামনে এসেছিল। কিন্তু মুক্তির আগেই সেন্সর বোর্ডের জালে আটকে গেল সিনেমা।
আরও পড়ুনঃ ‘ন্যায় দ্য জাস্টিস’ নিয়ে সুশান্তের বাবার আবেদন খারিজ করল দিল্লি হাই কোর্ট
‘ওএমজি ২’ এর টিজার রিলিজের পরেই ঘটে গেল যত বিপত্তি। সেন্সর বোর্ডের কোপের মুখে অক্ষয়ের সিনেমা। সেন্সর বোর্ড কোন ছবি রিলিজের আগেই তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন। এই বোর্ডের ক্ষমতা রয়েছে ছবির চিত্রনাট্য থেকে সংলাপ, দৃশ্য সমস্ত কিছু বদলানোর নির্দেশ দেওয়ার বা ছুড়ি কাঁচি চালানোর।

এমনকি কোন ছবি ছোটদের জন্য, কোন ছবি প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য এবং কোন ছবি নিষিদ্ধ সমস্তটা নির্দেশ দেন সেন্সর বোর্ড। টাই ‘ওএমজি ২’ এর ক্ষেত্রেও কোন খামতি রাখলেন না এই বোর্ড। ছবির সবদিক বিচার করে তারা এই ছবি মুক্তির জন্য ছাড়পত্র দিতে নারাজ।

‘ওএমজি ২’ র টিজারে দেখা গেছে অক্ষয় কুমার ছবিতে ভগবান মহাদেবের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। মাথায় জটা, সারা শরীরে ছাই ভস্ম, কপালে তিলক। বারানসীর রাস্তায় হেটে বেড়াচ্ছেন তিনি। এখন তার চারপাশ থেকে ভেসে বেড়াচ্ছে ‘হর হর মহাদেব’ রব। এর আগেই আদিপুরুষ সিনেমা নিয়ে বেশ বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল।
বিপাকে অক্ষয়! ‘ওএমজি ২’ মুক্তি আটকে গেল

এই ছবি আদালতে পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। কারন দেবদেবীদের চরিত্রায়ণ ও ধর্ম সংক্রান্ত জিনিসগুলি বিশেষত স্পর্শকাতর হয়। তাই বারবার সেন্সর বোর্ডের দিকে আঙুল উঠছিল যে কীভাবে বোর্ড সেই সিনেমার ছাড়পত্র ছিল। ঠিক সেই কারনেই ‘ওএমজি ২’ এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে সেন্সর বোর্ডের তরফ থেকে।



