মন্ত্রী বলে কথা! ক্ষমতা রয়েছে হাতে। তিনি যা খুশি তাই করতে পারেন। তবে এবারই প্রথম নয়। এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে এমন কথা তিনি বলেছিলেন যে, তারপর খোদ বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী এনিয়ে ক্ষমা চান। তবে তারপরেও যে এতটুকু বদলাননি কারামন্ত্রী অখিল গিরি সেটা আরও একবার সামনে এল। যে কাজ তিনি করেছেন তা ক্ষমার অযোগ্য বলছেন সরকারী কর্মীরা। চরম ক্ষুব্ধ মমতা বন্দোপাধ্যায়ও।
সূত্রের খবর, অখিল গিরি বা এই ধরনের কুকথায় পারদর্শী এবং নারীদের অসম্মানকারী ক্ষমতার আম্ফালন করা নেতাদের শাস্তি দিতে চলেছে তৃণমূল। অখিলের কির্তীতে বিরক্ত হয়েছেন খোসদ মুখ্যমন্ত্রী। সম্ভবত সাধারণ বিধায়ক হয়েই থাকতে হবে তাঁকে। মন্ত্রীসভা থেকে সরানো হতে পারে কারামন্ত্রীকে। যদিও সরকারিভাবে এখনও কোন ঘোষণা সামনে আসেনি।


মুখ্য়মন্ত্রীই নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি জমি থেকে জবরদখলমুক্ত করতে। সেই নির্দেশই পালন করতে গিয়েছিলেন বনদফতরের কাঁথির রেঞ্জ অফিসার। আর সেই মহিলা রেঞ্জ অফিসারকে অভব্যভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। এমনকী ডিএফওর সঙ্গেও তিনি ফোনে তিনি রীতিমতো খারাপ ব্যবহার করেন। পাশাপাশি বনদফতরের দুর্নীতি তিনি জানেন বলে হুঙ্কার দিয়েছেন সরকারের বিরুদ্ধেই। তিনি বলেছেন, “ফরেস্ট অফিসের কী দুর্নীতি তা আমি জানি। সব বিধানসভায় ফাঁস করে দেব। আমাকে চেন না।”
সব মিলিয়ে চরম বিড়ম্বনায় ফেলেছেন নিজের দলকেই। একদিকে যখন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, সবুজ সাথী, কন্যাশ্রী বা রূপশ্রীর মত প্রকল্প গড়ে নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তখন তার মন্ত্রীসভারই একজন হুমকি দিচ্ছেন সরকারি মহিলা অফিসারকে। এটা মেনে নিতে পারছেন না কেউই। অখিলের যে ডানা ছাঁটা হতে চলেছে তা একপ্রকার নিশ্চিত।







