নজরবন্দি ব্যুরো: দিন কয়েক আগেই ৩১ তারিখ সোমবার, সকাল ১০টায় আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে কর্মিবৃন্দ ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রকে আলাপনকে হাজিরা দিতে হবে জানিয়ে চিঠি দেইয়েছিল কেন্দ্র।
আরও পড়ুনঃ টিকাকরণ নীতি নিয়ে শীর্ষ আদালতের কটাক্ষের মুখে কেন্দ্র সরকার!
রাজ্যকে বলা হয়েছিল, ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্রের কাজে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁকে যেন রাজ্য সরকার মুখ্যসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। কিন্তু এই নির্দেশ মানেননি মুখ্যমন্ত্রী। আজ আলাপন বাবুর চাকরির মেয়াদ শেষ হয়েছে।
আর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে আগামি তিন বছরের জন্য তাঁর মুখ্য উপদেষ্টা পদে বহাল করেছেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ না রেখে এবার দিল্লীতে আলাপন বাবুকে মঙ্গলবার রিপোর্ট করতে বলল কেন্দ্র। আর এই নিয়ে ফের রাজ্য কেন্দ্র সংঘাতের পরিবেশ। অনেকে এই ঘটনাকে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন।
এমন কি মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার মধ্যে সেই রকমিই কিছু দেখতে পাচ্ছেন বলে তাঁর মন্তব্ব্যে পরিস্কার। তিনি এই ঘটনার পর বলেন ‘এটা হল প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ। রাজ্য কোভিড পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে। তার মধ্যে সর্বোচ্চ আমলাকে দিল্লিতে বদলি করার নির্দেশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।
ক্ষোভপ্রকাশ করে মমতা আরও বলেন,”রাজ্যের আবেদনের পর আলাপনকে পুনরায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। নর্থ ব্লকে যোগ দিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে অবিলম্বে আলাপনকে যোগ দিতে বলা হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলাম, এইমুহূর্তে আলাপনকে বদলি করলে জনসেবার ক্ষতি হবে। কিন্তু তারপর কেন্দ্র যা প্রতিক্রিয়া দেয় তাতে আমি স্তম্ভিত। গত ৭৪ বছরে কোনও আমলাকে এভাবে ডেকে পাঠাতে দেখিনি।
ঠিক কী কারণে কেন্দ্র সরকার আলাপন বন্দোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বদলি করতে চায় তা একবারের জন্যও উল্লেখ করেনি। এটা দুর্ভাগ্যজনক, অসাংবিধানিক।” এবার কি করবেন আলাপন? সেতা অবশ্য বলবে সময়।



