নজরবন্দি ব্যুরোঃ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে মানহানির চেষ্টা। মানহানির অভিযোগে শনিবার কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বাবুল সুপ্রিয়কে আইনি নোটিস পাঠালেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক অভিযোগ করেছেন বাবুল সুপ্রিয় তাঁর বক্তব্যের কিছু অংশ বেছে নিয়ে ট্যুইট করেছেন যা অত্যন্ত মানহানিকর। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে বাবুল সুপ্রিয় কে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন তাঁর আইনজীবী সঞ্জয় বসু।
আরও পড়ুনঃ আজ রাজ্য জুড়ে মৃত ৫৬ জন। দেখুন বুলেটিন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বাবুল সুপ্রিয় কে ওই উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং মানহানিকর টুইট প্রত্যাহার করে বাবুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। আর যদি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তা না করেন তাহলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত করা হবে তাকে। বাবুল সুপ্রিয়র পাশাপাশি ট্যুইটার কর্তৃপক্ষকেও নোটিস পাঠিয়েছেন অভিষেকের আইনজীবী।
নোটিশে বলা হয়েছে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিদ্বেষপরায়ণ ভাবে তৃণমূল যুব সভাপতির মানহানি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মিথ্যা ট্যুইটে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে। যার ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামাজিক মর্যাদা, খ্যাতি ও সম্মানের ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাই আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চেয়ে এই ট্যুইট প্রত্যাহার করতে হবে বাবুল সুপ্রিয় কে।
কিন্তু কেন এমন নোটিশ? উল্লেখ্য মহালয়ার দিন সকালে ফেসবুক লাইভে বক্তব্য দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে অভিষেক বলেছিলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর অমানবিক, অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলার একাধিক প্রকল্প বিশ্ব দরবারে সম্মানিত হচ্ছে।’’ বাবুল সুপ্রিয় বক্তব্যের এই অংশ থেকে অমানবিক শব্দটি তুলে নেন। এবং তা উদ্ধৃত করে ট্যুইটে লেখেন, “মুখ ফসকে সত্যি কথাটা বেরিয়ে গেছে – “অমানবিক মুখ্যমন্ত্রী” আমি একটুও আশ্চর্য নই যে এটা পোস্ট করা ভিডিওতে রয়ে গেছে – কারণ যারা এটা শুট করেছে তারাও ‘অমানবিক মুখ্যমন্ত্রী’ দিদির অমানবিক তৃণমূলী দুষ্কর্মে এতটাই লিপ্ত যে ভুল করে ‘বেরিয়ে’ যাওয়া এই সত্যটি ওরা ধরতেই পারেনি!”
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে মানহানির চেষ্টা। বাবুল আইনি নোটিশ কে পাত্তা দিচ্ছিনা মন্তব্য করলেও অভিযোগ যে গুরুতর আইনি নোটিশেই তা স্পষ্ট। কারন বাবুলের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অভিষেক মোটেই অমানবিক মুখ্যমন্ত্রী বলেন নি। বরং বলেছেন, “আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর অমানবিক এবং অক্লান্ত পরিশ্রম!” আইনজীবী সঞ্জয় বসু নোটিশে এই বিষয়টিকেও উল্লেখ করে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ এনেছেন।



