নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুজোর আগের ভোটপুজো, এই মুহুর্তে ভবানীপুরের পরিস্থিতি দেখে তেমনটাই বলছে ওয়াকিবহাল মহল। করোনা কালে সব কিছুতে বিধিনিষেধ থাকলেও একটা সময়ে পুজোর মাস খানেক আগে থেকেই শুরু হয়ে যেত তোড়জোড়, ঠাকুরের গায়ে মাটি পড়তো আর গেরস্থের দেওয়ালে চুন, রঙ।
আরও পড়ুনঃ প্রবল জলোচ্ছাস দিঘায়, ভাসছে বাজার, জল ঢুকছে উপকূলের গ্রামগুলিতে
তবে এবার পুজোর আগের ভোটপুজোর জন্য তৈরি হচ্ছে ভবানীপুর। দেওয়াল জুড়ে হোর্ডিং-পোস্টার। আগামী ৩০ তারিখে পরীক্ষা ঘরের মেয়ে মমতার। নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শিতে বসেছিলেন।

নিয়ম মত ৬ মাসের মধ্যে রাজ্যের যে কোন বিধানসভা থেকে জিতে ফিরতে হত তাঁকে। উপনির্বাচনের দাবিতে বারবার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল গত কয়েক মাসে। তার পরেই কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে আগামী ৩০ তারিখে ভবানীপুরে হবে উপনির্বাচন।
পুজোর আগের ভোটপুজো, পাড়ার মেয়েকে জেতাতে ব্যাস্ত ভবানীপুর।

দলের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হয়েছে সেখানে প্রার্থী হবেন মমতা। ২০১১, ২০১৬ এই ভবানীপুর থেকে জিতেই মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেছিলেন মমতা। ২১ এ ‘নন্দী মা’ এর ভূমি থেকে লড়লেও ফল আসেনি সদর্থক। তাই ফের ভবানীপুর থেকেই লড়বেন ঘরের মেয়ে।

পাড়ার মেয়ে মমতার লড়াই এর জমি প্রস্তুত করতেই ভবানীপুরের বিধায়কের পদ ছেড়েছিলেন শোভনদেব। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে দেওয়াল লিখন, পড়ছে পোস্টার। বরাবরের মত এবারেও স্লোগানেই কিস্তিমাত করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।

কোথাও লেখা আছে, ‘খেলা হবে ভবানীপুরে’, কোথাও ‘আমি বাংলারই মেয়ে’, ‘বেচারাম মোদীর ভারতবর্ষ বিক্রির বিরুদ্ধে’ তবে সব থেকে বেশি হাইলাইট হয়েছে “উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে” স্লোগান।
তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, “ভবানীপুরের ঘর, পাড়ার মেয়ে হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এলাকার মানুষ জানেন গোটা রাজ্য জুড়ে তিনি কী কী উন্নয়ন করেছেন। ভবানীপুরের চেহারা বদলে দিয়েছেন তিনি। ঘরের মেয়ে তো তিনি বটেই। তার উন্নয়নকে সামনে রেখেই এবার এই প্রচার শুরু হল ভবানীপুর জুড়ে।”



