নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূলকে টক্কর ভিন রাজ্যেও, আর সেই কারণেই এবার ঘাসফুল শিবিরের পরে পরেই পড়শি রাজ্য অসম-ত্রিপুরাতে পা দিতে চলেছে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। বাংলার ২১ এর ভোটের আগেই রাজ্যবাসীর জন্য ‘প্রকৃত কাজ’ করতে চেয়ে ভোট যুদ্ধে নেমেছিল আব্বাস সিদ্দিকির দল ISF।
আরও পড়ুনঃ এক দশকে মমতার অবদান অসামান্য, বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে রোমে আমন্ত্রিত বাংলার মেয়ে
মমতার দলকে কড়া টক্কর দিতে বাংলায় এসেই সেকুলার ফ্রন্টের জোট হয়েছিল বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে। ভোটের প্রাককালে আব্বাসের ভাষণ ভালো সাড়া ফেললেও ভোট ব্যাঙ্কে তার প্রভাব আসেনি। শুধু সেকুলার ফ্রন্ট নয়, সংযুক্ত মোর্চার জোট পেয়েছিল মাত্র ১ টি আসন।

আব্বাস সিদ্দিকির ভাই নওশাদ সিদ্দিকি জিতেছিলেন ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র। তার পর থেকেই জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। জোটের শরিক দল বামেদের কেন্দ্রীয় কমিটি জানিয়েছে জোটের স্থায়ীত্ব ভোট পর্যন্তই, বেঁকে বসছে কংগ্রেসও। জোটের স্বার্থে লড়তে থাকা ISF এবার একলা চলো নীতিতে রণকৌশল সাজাচ্ছে ভবিষ্যতের। এবারের স্বাধীনতা দিবসেও এককভাবে সংবিধান বাঁচাও কর্মসূচি নিয়েছেন তাঁরা।
সূত্রের খবর তৃণমূলকে টক্কর দিতে এবার অসম-ত্রিপুরাতেও যাবে আব্বাসের দল। বাংলা জয়ের পর মমতার দলের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে এবার লক্ষ্য দেশ বিজয়, আর সেই লক্ষ্যের প্রথম টার্গেট বিপ্লব দেবের রাজ্য ত্রিপুরা। গত দিন কয়েক ধরে ত্রিপুরায় ঘটে চলা চিত্রপট তুলে ধরে তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে ‘গণতন্ত্র বিপন্ন’ সেখানে।

আর এখানেই জোর দিচ্ছেন সিদ্দিকি ভাইয়েরা। গণতন্ত্রের কন্ঠ রোধ কোথায় বেশি, বাংলা নাকি ত্রিপুরা তা খতিয়ে দেখতে ঘাসফুলের পরে পরেই পড়শি রাজ্যে যাচ্ছেন আব্বাস-নওশাদ। সূত্রের খবর সব ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরেই ত্রিপুরায় পা রাখবেন তাঁরা। দলীয় সূত্র বলছে ত্রিপুরা, অসম ও মেঘালয়ের আদিবাসী এবং উপজাতি শ্রেণির মানুষদের কাছে টানার লক্ষ্যেই এগোবে দল। জানানো হয়েছে সঠিক সময় ঠিক হলেই প্রকাশ করা হবে সফরসূচি এবং কর্মসূচী।



