নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যসভা উপনির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ কমিশনের। রাজ্যসভার সাংসদ পদের বয়েকা ভোট করাতে চাইছে সব দল। বাংলা থেকেও বারবার আর্জি গিয়েছে করোনা কম থাকায় এবার সেরে ফেলা হোক বাকি থাকা বিধানসভা রাজ্য সভার উপনির্বাচন। ৭ বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট করানোর দাবি নিয়ে গতকালই জাতীয় নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন তৃণমূলের ৬ সাংসদ।
আরও পড়ুনঃ করোনা কালেও ভিড় বাড়ছে দিঘায়, বাড়ছে সংক্রমণ, পর্যটনে একগুচ্ছ নিয়ম জারি প্রশাসনের
এদিকে রাজ্যসভার চেয়ারের নিরিখে আসন ফাঁকা পড়ে আছে তৃণমূলের। একই সঙ্গে ফাঁকা আছে আরও অনেক রাজ্যের আসন। এবার রাজ্যসভার ফাঁকা আসনে ভোট করানোর জন্য সম্মতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সঙ্গে দিনক্ষণ জানিয়ে প্রকাশ করেছে বিজ্ঞপ্তি।
রাজ্যসভা উপনির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ কমিশনের, ফাঁকা জায়গায় বাংলা থেকে যাবেন কারা…

রাজ্যসভায় ঘাসফুল শিবিরের ফাঁকা পড়ে আছে দুই আসন। মানস ভুঁইয়া বিধানসভার ভোট লড়বেন বলে আগেই ইস্তফা দিয়েছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে। তার পর পদ ছেড়ে যান বর্ষীয়াণ নেতা দীনেশ ত্রিবেদী। বিধানসভা ভোটের আগে আগেই দলবদলের মরশুমে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন ত্রিবেদী। এবং তার পরেই ১২ই ফেব্রুয়ারি ইস্তফা দেন রাজ্যসভার পদ থেকে।
দিন কয়েক ধরেই জল্পনা ছিল ওই দুই আসনে তৃণমূলের হয়ে যাবেন কারা। কখনো নাম উঠেছে অমিত মিত্রর। কখনো সৌরভ গাঙ্গুলি কখনো বা প্রশান্ত কিশোরের। এবার সময় এসেছে ওই পদের উপনির্বাচনের। আজ, রাজ্যসভা উপনির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ কমিশনের, শুক্রবার নির্বাচন কিমশনের তরফে জানানো হয়েছে ২২ এ জুলাই রাজ্যসভার উপনির্বাচনের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।
মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ২৯ তারিখ পর্যন্ত। এবং মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে ২রা আগস্ট পর্যন্ত। নির্দিষ্ট দিনের সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলবে ভোটদান। ভোটে জিতে যাঁরা যাবেন রাজ্যসভার সাংসদ পদে ২০২৬ এর ২রা এপ্রিল পর্যন্ত ও পদে বহাল থাকবেন তাঁরা।



