নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ থেকে অধিবেশন, এই অধিবেশনে আলোচনা, বিরোধীদের সুর চড়ানো, মন্তব্য পালটা যুক্তি সব কিছুর পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন রায়সাহেব।সবে সবে ৪ বছরের মায়া কাটিয়ে পদ্মবন থেকে বেরিয়ে এসেছেন তিনি। কিন্তু ভাবনা চিন্তা করে এখনো বিজেপি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেননি। এই বিষয়ে গত কয়েক দিনে বারবার সুর চড়িয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুনঃ দেবাঞ্জন কান্ডে রাজ্যপাল যোগ! সূত্রধার ‘দেহরক্ষী’ কে গ্রেপ্তার তড়িঘড়ি
যদিও তাতেও খুব একটা পাত্তা দেননি তিনি। দিব্যি রাজনীতির দিক থেকে বসছেন তৃণমূল ভবনে, আর বিধানসভা অধিবেসনে বসবেন বিজেপির দিকে। আপাতত রায়সাহেবের সমীকরণ এটাই। এমনিতেই বিজেপির মুকুল পতনের পর থেকেই বাংলায় বদলাচ্ছে একাধিক রাজনৈতিক সমীকরণ। একে একে মুকুল ঘনিষ্ঠরা আসছেন তৃণমূলে, তিনি নিজেও জানিয়েছেন বিজেপির শেষের এই শুরু।
দলত্যাগের প্রথম দিন থেকে তাঁর বিধায়ক পদের থেকে ইস্তফার দাবি নিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তিনি সাফ জানিয়েছেন কথা বার্তায় এখনই ওই পদ ছাড়ছেন না তিনি। এমনকি PAC চেয়ারম্যান পদেও বসতে পারেন সেই বিরোধী দলের বিধায়ক হিসেবেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দিন কয়েক আগেই জানিয়েছেন মুকুল তৃণমূল করলেও খাতায় কলমে বিজেপির। সেই মত আগের রীতি অনুসরণ করে এখনো বিধাসভার আসন বদলের কোনো আবেদন জানাননি তিনি, উল্টে জানিয়ে দিলেন বিধানসভার ভেতরে তিনি বসবেন বিজেপির বিধায়কদের সঙ্গেই।
সুত্রের খবর হিসেব মতো আজ থেকে বিধানসভার ভেতরে বিরোধী বেঞ্চের ৬৫ নম্বর আসনেই বসবেন সিনিয়র রায় সাহেব। কোভিড পরিস্থিতিতে বিধায়কদের বসার জন্য একাধিক জায়গাকে বরাদ্দ করা হয়েছে। গ্যালারি গুলিতে দূরত্ব রেখে বসবেন সকল বিধায়কেরা। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আজই ডেপুটি স্পিকার পদে বসবেন রামপুরহাটের তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়।



