রাজ্য বিজেপির পর এবার ৬ উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলো শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এই উপনির্বাচনে স্থানীয় নেতাদের উপরেই আস্থা রেখেছে তৃণমূল। সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী সঙ্গীতা রায়ের উপরেই ভরসা রেখেছে শাসক শিবির। জগদীশ ঘরনি সঙ্গীতা ২০১২ থেকে রাজনীতির ময়দানে সক্রিয়। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হন। ভোটে জিতে আদাবাড়ি পঞ্চায়েত প্রধান হন।
মাদারিহাটের ভূমিপুত্র জয়প্রকাশ টোপ্পোকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছে তৃণমূল। নৈহাটিতে প্রার্থী করা হয়েছে সনৎ দে-কে। হাড়োয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শেখ রবিউল ইসলাম। মেদিনীপুরে তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সুজয় হাজরা। তালড্যাংরা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে ফাল্গুনী সিংহবাবুকে।
উল্লেখ্য, রাজ্যের এই ছয় আসনের বিধায়কেরা গত লোকসভা নির্বাচনে সাংসদ হয়েছেন। তবে তাঁদের মধ্যে বসিরহাটের সাংসদ হাজি নুরুলের সম্প্রতি মৃত্যু হয়েছে। হাড়োয়া আসনের বিধায়ক পদ ছেড়ে তিনি সাংসদ হন। হাড়োয়াতে উপনির্বাচন হলেও বসিরহাট লোকসভা আসনে এখনই ভোটগ্রহণ হচ্ছে না।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা, সিতাই, মাদারিহাট, নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর এবং তালড্যাংড়া আসনে ১৩ নভেম্বর ভোটগ্রহণ হবে। সর্বত্রই গণনা হবে ২৩ নভেম্বর। উল্লেখ্য, একমাত্র মাদারিহাট বাদে পাঁচটি আসনেই তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছে গত বার। এবার ফলাফল কী হবে? তাই নিয়ে চর্চা থাকবেই। লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস যথেষ্ট ভালো ফল করেছে। সেই ফলাফল শাসক দলকে অনেকটাই অক্সিজেন দেবে। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।



