নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফিরহাদ হাকিম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাদের মধ্যে অন্যতম। একুশের বিধানসভায় জিতে তৃণমূল ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি কার্যকর করলেও ফিরহাদের জন্য ছিল ছাড়। তিনি একদিকে যেমন কলকাতার মেয়র আবার তিনিই সামলান পরিবহণ এবং আবাসন দফতর। আর এবার এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ফিরহাদ হাকিম কি দু’টি পদে থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন? এরকমই প্রশ্ন তুলে নবান্নে চিঠি লিখলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দিল্লিতে প্রতিবাদ শুরু তৃণমূলের, রাজঘাটে অবস্থান বিক্ষোভে অভিষেক
রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত যেন ক্রমেই তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। এর আগে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সংঘাত বাঁধে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। প্রতিটি রাজনৈতিক বিষয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ কিংবা মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে রাজ্যের শাসক দল। কখনও কখনও মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও। আর এবার ফিরহাদ হাকিমকে নিশানায় নিলেন বোস।

রাজভবন সূত্রে খবর, গত সপ্তাহে নবান্নকে একটি চিঠি দিয়েছেন বোস। সেখানে জানতে চাওয়া হয়েছে ফিরহাদ হাকিম কী করে এক জোড়া পদে থাকতে পারেন। কী এর কারণ? নাকি দু’টি পদে থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হতে চাইছেন তিনি? এই ধরনের বিতর্কিত প্রশ্ন কিন্তু তুলেছেন রাজ্যপাল। তবে, নবান্ন থেকে এখনও কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দিল্লিতে তৃণমূলের যে আন্দোলন কর্মসূচি চলছে সেখানে যোগ দিতে গিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। অর্থাৎ তিনি কলকাতায় নেই। কিন্তু রাজ্যপাল যে এই প্রশ্ন তুলেছেন তা তিনি যাবার আগেই জানতেন। আর এই উত্তরও তিনি দিয়ে গিয়েছেন।
যিনি মেয়র তিনিই আবার মন্ত্রী! হাকিমের বিরুদ্ধে নবান্নে চিঠি বোসের
ফিরহাদের বক্তব্য ছিল, ‘‘আমি রাজ্যপালের কোনও বক্তব্যে পাল্টা মন্তব্য করতে রাজি নই। এর আগে জগদীপ ধনখড়ও একই ভাবে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। তাই আমি কী ভাবে মন্ত্রী এবং মেয়র পদে রয়েছি তা আমার মুখ্যমন্ত্রী জানলেই হবে, রাজ্যপালের না জানলেও চলবে।’’




