নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূলের পাল্টা বিজেপির সভায় ফের প্রধান মুখ শুভেন্দু, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। জমে উঠেছে দল বদলের খেলা। ২১-এ বাংলার মসনদে কে বসছে এই নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। সম্প্রতি শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এদিকে আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের গুটি সাজাতে তৃণমূলের প্রথম সভা অধিকারী পরিবারের খাসতালুক কাঁথির ডোরমোটারির মাঠে হয়।
আরও পড়ুন: ফেটসুর বৈঠকে ফের ঘেরাও যাদবপুরে, বিক্ষুব্ধ সুরঞ্জন ছাড়তে চান উপাচার্যের পদ।
বুধবারের সেই সভার নেতৃত্ব দেন তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷ এবার এসবের মাঝে কাঁথিতে সভা করার ডাক দিয়েছে বিজেপির তরফে৷ দলীয় সূত্রে খবর, সভার কেন্দ্রবিন্দু থাকবেন সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারী নেতা তথা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী৷ এদিকে তৃণমূলের পালটা বিজেপি নেতা তথা শিশির পুত্রের এই সভার ঘোষণা হওয়ার পরই ফের একবার সরগরম জেলা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট৷ বৃহস্পতিবার মূলত বিজেপির যুব মোর্চার ডাকে এই জনসভা। সেখানেই যোগ দেবেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ ৫ কিলোমিটারের ব়্যালির পর জনসভা হবে কাঁথিতে। কাঁথি মেচেদা মোড় থেকে দুপুর দুটো নাগাদ শুরু হবে পথ সভা। সেই মিছিল গিয়ে শেষ হবে কাঁথি সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড। সেখানেই হবে সভা।
অন্যদিকে তৃণমূলের সভাতে অনুপস্থিত থাকা নিয়ে অধিকারী পরিবারের অন্য দুই সদস্যের অনুপস্থিতি বিতর্কের আগুনে আরও ঘি ঢালার মতো অবস্থা। দুই সদস্য অর্থাৎ শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারি…আগামী দিনে দলের ক্ষেত্রে তাঁদের অবস্থান নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। ক্রমাগত বাড়ছে উত্তেজনার পারদ। বুধবার তৃণমূলের ডাকা সভায় উপস্থিত ছিলেন না অধিকারী পরিবারের কোনও সদস্য৷ এরপরই জেলা রাজনীতি বিশ্লেষকদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি শুভেন্দুর যোগ ধরেই তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে অধিকারী পরিবারের?
তৃণমূলের পাল্টা বিজেপির সভায় ফের প্রধান মুখ শুভেন্দু, এদিকে বুধবার তৃণমূলের সভার পর শিশির অধিকারীকে সরাসরি আক্রমণ করেন রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি। বিধায়ক অখিল গিরি শিশির অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, ‘শিশিরবাবুকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। আমি আমার বিধায়ক প্যাড থেকে শিশির অধিকারীকে চিঠি পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু শিশিরবাবু প্রোগ্রামে কেন অনুপস্থিত হলেন ওটা ওনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।’ এরপরই তিনি বলেন, শিশিরবাবুর কার্যকলাপ দলের সংগঠনের পক্ষে নয়। তাঁকে দলের জেলা সভাপতির পদ থেকে সরানো হোক।



