নজরবন্দি ব্যুরোঃ ডিএ মামলায় কিছুদিন আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। ৩ মাসের মধ্যে SAT-এর রায় কার্যকর করে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ মিটিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্ট। সেই তিন মাসের সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী ১৯ অগাস্ট। কিন্তু তার আগেই রিভিউ পিটিশন জমা দিয়েছে রাজ্য সরকার। এদিকে মহার্ঘ ভাতা বাড়াল ৩ বিজেপি-শাসিত রাজ্য!
আরও পড়ুনঃ ১৫ অগস্টে স্বাধীনতা দিবসে কমছে মেট্রোর সংখ্যা, রইল সোমবারের সময়সূচি
সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় ডিএ বাড়ানোর প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। আগে ৩১ শতাংশ ডিএ পেতেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৪ শতাংশ। কেন্দ্রের পথ ধরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বাড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশ। উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ৩৪ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন।

উত্তরপ্রদেশের মত চলতি মাসের শুরুতেই মধ্যপ্রদেশ সরকার ডিএ বাড়িয়েছে। অগস্ট থেকে সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় ৩৪ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। যা সেপ্টেম্বরের বেতন থেকে ঢুকবে। পাশাপশি বিজেপি শাসিত ত্রিপুরাও ডিএ বাড়িয়েছে ৫ শতাংশ। অর্থাৎ ত্রিপুরার সরকারি কর্মীরা এইমাস থেকে ৮ শতাংশ হারে মহার্ঘ্যভাতা পাবেন।

এদিকে রাজ্যের হাতে আর মাত্র ৬ দিন রয়েছে। কেন্দ্রের মত ৩৪ শতাংশ হারে যদি বকেয়া ডিএ মেটাতে হয়, তাহলে খরচ হবে ২৩ হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থের জোগান এই মুহূর্তে নেই বলে খবর। সেই কারনেই সম্ভবত হাইকোর্টকে রায় পুনর্বিবেচনা করতে আবেদন করেছে নবান্ন।
কর্মীদের DA বাড়াল ৩ বিজেপি শাসিত রাজ্য, হাই কোর্টের দিকে তাকিয়ে বাংলা।

নবান্ন সূত্রের খবর, দুটি বিকল্প উপায় নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছিল ডিএ দেওয়া নিয়ে। হয় কিস্তিতে ডিএ দেওয়া হবে, না হলে কর্মীদের পিএফের টাকার সঙ্গে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ডিএ দেওয়া হবে নগদে। সেই জন্যে আরও সময় দরকার রাজ্যের। তাছাড়া বকেয়া মেটাতে যে বিপুল টাকা দরকার সেটা নেই রাজ্যের হাতে। সেই কারনেই বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে অনলাইনে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছে রাজ্য।



