টাইগার ইজ ব্যাক, সমর্থকদের গর্জন গড়বেতায়! এলাকায় ফিরলেন সুশান্ত।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ টাইগার ইজ ব্যাক, সমর্থকদের গর্জন গড়বেতায়! ৯ বছর পর নিজের গড় গড়বেতায় ফিরলেন সুশান্ত ঘোষ। আজ সুশান্ত ঘোষের ঘরে ফেরা উপলক্ষে বাম কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে উত্সাহ, উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মত। সমস্ত গড়বেতা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল লাল পতাকায়। কঙ্কাল কাণ্ডে অভিযুক্ত সুশান্ত ঘোষ পালাবদলের পর থেকেই আর বাড়ি ফিরতে পারেন নি। আজ প্রায় ৯ বছর পর বাড়ি ফিরলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ সুদীপ্তই লিখেছেন চিঠি! সমস্যায় পড়তে পারেন শুভেন্দু, মুকুল, অধীর, সুজন-রা।

সামনে বিধানসভা ভোট আসন্ন, দলের তরুন সমর্থকদের চাপে পড়ে সুশান্ত কে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে আলিমুদ্দিন! সাময়িক ভাবে তাঁর সাসপেনশন তুলে নিয়েছে সিপিআইএম। বেশকিছু দিন ধরেই সুশান্ত ঘোষকে সংগঠনের কাজে লাগানোর ব্যাপারে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি তুলছিলেন দলের তরুণ প্রজন্ম। তাঁর হয়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন দলের তরুন অনুগামীরাই। পোস্টার পড়েছে তাঁর নামে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘সত্যের জয় সর্বদা, টাইগার ইজ ব্যাক।’ এই প্রসঙ্গে সুশান্ত ঘোষ বলেছেন, “টাইগার কিনা জানি না। তবে ফের লাল ঝান্ডা নিয়েই মাঠে নামব। দল যা বলবে তা করব।”

এদিন সুশান্ত ঘোষের সাথে ছিলেন সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও। তিনি বলেন, “ঘরের ছেলেকে ঘর থেকে উৎখাত করতে চেয়েছিল যাঁরা, তাদেরই উৎখাত হতে হবে এবার।” সুশান্ত ঘোষ বলেন, “ঘরের ছেলে ঘরে ফিরতে পেরে ভালোই লাগছে।” উল্লেখ্য, সুশান্ত বেনাচাপড়া কঙ্কালকান্ডে গ্রেফতার হন ২০১১ সালে। ২০১২ সালে জামিন পেলেও আদালত ছাড়পত্র দেননি জেলায় ঢোকার। তবে এবার সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি পেয়ে জেলায় ফিরলেন সুশান্ত ঘোষ।

এদিকে সূত্র জানাচ্ছে, সিপিআইএম দলের তরুন সমর্থকদের চাপে পড়ে সুশান্ত কে বড় দায়িত্ব দিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা নেতৃত্ব কে উপেক্ষা করে! সিপিআইএম সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুরের সবকটি সহ ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার বিভিন্ন বিধানসভার দায়িত্ব পেয়েছেন সুশান্তবাবু। 

টাইগার ইজ ব্যাক, তিনি একসময় ছিলেন গড়বেতার বেতাজ বাদশা। ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর তিনি বেনচোপড়া কঙ্কালকাণ্ডে গ্রেফতার হন। দলের সঙ্গে কার্যত সম্পর্ক বিচ্ছেদ করেন তিনি জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর। হাত দেন বই লেখার কাজে। পার্টি বন্দরে বিতর্কে জড়ান ‘বামফ্রন্ট জামানার শেষ দশ বছর’ শীর্ষক একটি বই লিখে। সেই বইতে বুদ্ধবাবুর প্রশাসনিক দূর্বলতা নিয়ে লিখেছেন তিনি। এর ফলে দলের ভিতরেই তাঁকে সমালোচিত হতে হয়, সাসপেণ্ড করা হয় তাঁকে। 

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন