নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্রমাগত বদলাচ্ছে বীরভূমের রামপুরহাটের ঘটনার মোড়। প্রতি পদক্ষেপে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রের খবর, প্রাণনাশের আশঙ্কা আগেই করেছিল ভাদু শেখ। নিহত তৃণমূল উপপ্রধান এবিষয়ে চিঠি দিয়েছিল এসডিপিওকে।
আরও পড়ুনঃ Bagtui Massacre: আজই রামপুরহাট যাচ্ছে সিবিআই, নমুনা সংগ্রহে উপস্থিত ফরেনসিক দল
চিঠিতে ভাদু শেখ জানিয়েছিলেন, তার দাদা বাবর শেখকে হত্যার পর হত্যাকারীরা জামিনে মুক্তি পান। এমনকি অভিযুক্তরা বগটুই গ্রামের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। পরবর্তীতে তাকেও খুন করা হতে পারে। এই আশঙ্কা করেই এসডিপিওকে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল উপপ্রধান ভাদু শেখের এই আশঙ্কার পরেও কেন প্রশাসনের তরফে কোনও ভূমিকা নেওয়া হল না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও।

উল্লেখ্য, গতকালই বগটুই গ্রামে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই সাসপেণ্ড করা হয় রামপুরহাটের আইসিকে। এরপর নবান্নের তরফে নির্দেশিকা জারি করে গতকালই এসডিপিওকে বদল করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যারা সক্রিয় নয় তাঁদেরকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। দুই একজনের জন্য গোটা ফোর্সের বদনাম তিনি চান না।
প্রাণনাশের আশঙ্কা আগেই করেছিল ভাদু, তাও কেন নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি?

অন্যদিকে, শুক্রবার ভাদু শেখের হত্যা এবং বগটুই গ্রামে পুড়িয়ে মারায় ঘটনার তদন্তভার সিবিআইইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৭ তারিখের মধ্যে সিবিআইকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আদালতকে অবগত করার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষী ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ।



