নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইউক্রেনের একাধিক শহরে রুশ বাহিনী তাদের বোমাবর্ষণ আরও তীব্র করেছে। দেশের দক্ষিণ বন্দরের পূর্ব দিকের বেশ খানিকটা অংশ তারা ইতিমধ্যেই দখল করেছে বলে সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, শহরগুলিতে তাদের দখলের পক্ষে রাজনৈতিক সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে তারা প্রচারও চালাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ক্ষেপণাস্ত্র কাণ্ডে ভারতকে নিশানা পাক নিরাপত্তা উপদেষ্টার
ইতিমধ্যে রুশ গোলায় তছনছ হয়ে গিয়েছে ইউক্রেনের একাধিক শহর। লক্ষ-লক্ষ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন। শরণার্থী হচ্ছেন অন্য দেশের। যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর থেকে দেশবাসীকে উদ্ধার করার জন্য মানবিক করিডর করছে ইউক্রেন। যুদ্ধের নিয়ম বলছে, মানবিক করিডরে হামলা করতে পারে না হামলাকারীরা। কিন্তু কোনও নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না পুতিনবাহিনী। বর্তমানে কিয়েভের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

যেকোনও মুহূর্তেই রাশিয়ার সেনাবাহিনী বড় মাপের হামলা চালাতে পারে। সাধারণ বাসিন্দা থেকে শুরু করে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনিক আধিকারিক, সকলকেই অত্যন্ত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, রাশিয়ার তরফে অভিযোগ করা হয়েছে যে ইউক্রেন আমেরিকার সাহায্য নিয়ে জৈব অস্ত্র বানাচ্ছে। সেই তথ্য রাশিয়ার হাতে আসতেই কিয়েভ প্রশাসন সামরিক জৈব অস্ত্র তৈরির সেই সমস্ত তথ্য ধ্বংস করে দিচ্ছে।
তবে কিয়েভ ও ওয়াশিংটনের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। রাশিয়ার মূল লক্ষ্য এখন রাজধানী কিভ দখল করা করা। সেই লক্ষ্যে তারা যুদ্ধকে আরও প্রসারিত করে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে। শনিবারই আমেরিকা ঘোষণা করেছে, তারা ইউক্রেনকে অতিরিক্ত ২০ কোটি ডলারের (ভারতীয় মুদ্রায় ১,৫০০ কোটি টাকার কিছু বেশি) অস্ত্র ও সরঞ্জাম পাঠাবে।
রুশ বাহিনীর বোমাবর্ষণ আরও তীব্র হচ্ছে, দেশবাসীকে উদ্ধারের জন্য মানবিক করিডর করছে ইউক্রেন
এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই হোয়াইট হাউসকে সতর্ক করে ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা এ বার ইউক্রেনে অস্ত্রবহনকারী কনভয়গুলোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালাবে। সব মিলিয়ে আজ ১৮ দিনে পড়ল যুদ্ধ। আর রাশিয়া আরও তীব্র থেকে তীব্রতর আক্রমণ হানছে উইক্রেনের উপর।



