নজরবন্দি ব্যুরোঃ আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা নিয়ে দুর্নীতির ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে তৃণমূল।৩ তৃণমূল নেতাকে সাসপেন্ড করলো দল। খোদ তৃণমূল নেত্রীর দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকে রেয়াত না করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আর এরপরেই কড়া হয়েছে দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব। জেলায় কড়া হাতে দুর্নীতি দমনে নেমেছে শাসকদল তৃণমূল। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ আসলেই কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে দল।
আরও পড়ুনঃ আমফানের ত্রান পাইয়ে দেওয়ার নামে মহিলা কে ধর্ষন তৃণমূল নেতার!
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানালেন হাওড়া জেলার তৃণমূল সভাপতি অরূপ রায়। আমফানের ক্ষতিপূরণ বিলি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় শোকজ করা হয়েছে বড়গাছিয়া ২নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান শবনম সুলতানা এবং জগত্বল্লভপুর একনম্বর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শেখ নুর হোসেনকে । এছারাও ৩জন তৃণমূল নেতাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁরা হলেন সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জয়ন্ত ঘোষ, জগত্বল্লভপুরের পাতিহাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বেচারাম বোস এবং উত্তর ঝাপড়দহ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধানের স্বামী সুমন ঘোষাল।
অরুপ বাবু বলেন, ”দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই সমস্ত নেতাকর্মীদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে যে পদে তাঁরা রয়েছেন সেই পদ থেকে তাঁদের অবিলম্বে পদত্যাগ করার কথা বলা হয়েছে। না করলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এছাড়া যে দুইজনকে এদিন শোকজ করা হয়েছে তাঁদের আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে। সেই উত্তরে দল সন্তুষ্ট না হলেই তাঁদেরও সাসপেন্ড করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত বাংলায় করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই রেশন দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল শাসক দলের একাধিক নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে হয়েছিল, ত্রাণ দিতে হলে নিজের পকেট থেকে দিন! ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবের পর অভিযোগ উঠতে শুরু করে ত্রাণের টাকা নিয়ে অনিয়মের। এমন পরিস্থিতিতেই এবার শাস্তির খাঁড়া।



