নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের শান্তিকুঞ্জে CID, তদন্ত চলছে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন দেহরক্ষীর মৃত্যুর। দিন কয়েক আগেই শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর মৃত্যুতে বছর খানেক পরে স্ত্রী সুপর্না চক্রবর্তী কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
আরও পড়ুনঃ জ্ঞান ফেরেনি এখনো, পরিস্থিতি সংকটজনক সাধন পান্ডের
সপ্তাহের মধ্যেই সেই তদন্তভার নিজের হাতে তুলে নিয়েছে CID। তদন্তের স্বার্থে গত ১৪ জুলাই শুভেন্দুর পাড়ায় হানা দিয়েছিল গোয়েন্দা দল। কাঁথি গিয়ে কথা বলে শুভব্রত তথা শুভেন্দুর প্রাক্তন নিরাপত্তারক্ষীর দাদা তথা মহিষাদলের তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তীর সাথে, রেকর্ড করা হয়েছে তিলকবাবুর বয়ান।
ফের শান্তিকুঞ্জে CID, ঘরের সামনে থেকে চলছে ভিডিওগ্রাফি।

তার পরেই দিন তিনেকের ব্যবধানে ফের শান্তিকুঞ্জে CID এর ৪ গোয়েন্দা। বাড়ির সামনে থেকেই চলতে থাকে ভিডিওগ্রাফি। রক্ষীদের ঘরগুলি ঘুরে দেখেন তাঁরা। যে ঘরে থাকতেন শুভব্রত থাকতেন সেখান যান তাঁরা। ঘন্টাখানেক ধরে খুঁটিয়ে দেখেন ঘরের চারপাশ, ভেতর। সেখানেই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়কের দেহরক্ষী।
গোয়েন্দারা কথা বলেন দিব্যেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও। শান্তিকুঞ্জ থেকে নিরাপত্তারক্ষীদের বাড়ির দূরত্ব মাপজোক করেন বলেও খবর স্থানীয় সূত্রের। স্বামীর মৃত্যু ধোঁয়াশা কাটিয়ে সত্যতা জানতে ঘটনার প্রায় তিন বছর পর অভিযোগ দায়ের করেছেন সুপর্না। অভিযোগ পত্রে তিনি বলেছেন, “প্রায় ৬-৭ বছর শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন তাঁর স্বামী।” গত ১৩/১০/২০১৮ তে তাঁর স্বামী সকাল ১০টা নাগাত ফোনে জানান বাড়ি ফেরার কথা। কিন্তু তিনি আর ফেরেন নি। সুপর্ণা খবর পান তাঁর স্বামীর মাথায় গুলি লেগেছে, গুলি চালিয়েছেন নিজেই।
ঘটনার প্রায় ৩ বছর পর সুপর্ণা অভিযোগ দায়ের করেছেন কাঁথি থানায়। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে খুন এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা রুজু করে শুরু হয়েছে তদন্ত। অভিযোগকারিণীর এফআইআর এ উঠে এসেছে শুভেন্দু ঘনিষ্ট রাখাল বেরার নামও। বছর খানেক বাদে শুভব্রত মৃত্যুর ঘটনা উঠে আশায় চাপের মুখে নন্দীগ্রামের বিধায়ক। দিন কয়েক আগে বলেওছিলেন, ভয় দেখিয়ে লাভ নেই… মুখ্যমন্ত্রী যদি চান জেল খেটে নেবেন তিনি।



