2014 TET OMR Case: আজকের শুনানিতে নতুন মোড়, চাকরিপ্রার্থীদের নজর সুপ্রিম কোর্টে

কলকাতা হাইকোর্টে প্রাথমিক TET 2014 OMR মামলার শুনানি স্থগিত, একটির তারিখ পিছোল, আরেকটি শুনানি হয়নি—এখন সব নির্ভর করছে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের উপর।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

2014 TET OMR Case আজ আবারও কলকাতা হাইকোর্টে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল। প্রাথমিক টেট পরীক্ষার OMR শিট সংক্রান্ত মামলাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই আদালতে বিচারাধীন। আজকের শুনানিতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার মধ্যে একটির শুনানি সম্ভব হয়নি এবং অন্যটির তারিখ পিছিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থীদের ভাগ্য এখন নির্ভর করছে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায়ের উপর।

বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের বেঞ্চে তালিকাভুক্ত মামলার শুনানি হয়নি। রবিউল হকের দায়ের করা OMR মামলাটি আদালতের লিস্টে ৭১ নম্বরে ছিল। কিন্তু বিচারপতি ভরদ্বাজ এদিন ৬৫ নম্বর পর্যন্ত মামলার শুনানি করেন। এর ফলে মামলাটি পিছিয়ে যায়। কবে এর পরবর্তী শুনানি হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চাকরিপ্রার্থীদের তাই অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

অন্যদিকে, বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে রমেশ মালিকের মামলা উঠলেও তাতেও নতুন মোড় দেখা দিয়েছে। মামলাটি তালিকায় ৭ নম্বরে থাকায় শুনানি হয়। আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী ফেরদৌস সামি আদালতকে জানান যে এই মামলা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন এবং ডিভিশন বেঞ্চেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

ফলে হাইকোর্টে মামলাটির কার্যকর শুনানি স্থগিত রাখা হয়। আদালত জানায়, সুপ্রিম কোর্টের রায় না আসা পর্যন্ত এই মামলায় আর কোনো অগ্রগতি হবে না। শুনানির তারিখ পিছিয়ে ১০ নভেম্বর, ২০২৫ ধার্য করা হয়েছে, যা দুর্গাপূজার ছুটির পরে হবে।

আদালত একইসঙ্গে “লিবার্টি টু মেনশন” সুবিধাও প্রদান করেছে। অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্ট যদি এর আগেই মামলাটি নিষ্পত্তি করে, তবে উভয় পক্ষই যেকোনো সময়ে হাইকোর্টে পুনরায় শুনানির আবেদন জানাতে পারবেন।

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ২০১৪ সালের প্রাথমিক TET OMR মামলার সমাধান এখনও অনিশ্চিত। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও সমাধান না মেলায় হতাশা তৈরি হয়েছে চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে। তবে আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ই এখন এই মামলার ভাগ্য নির্ধারণ করবে।

অতএব বলা যায়, 2014 TET OMR Case-এর ভবিষ্যৎ পুরোপুরি সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। সেই রায় না আসা পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীদের অপেক্ষা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন