নজরবন্দি ব্যুরো: রিজার্ভ ব্যাঙ্ক আগেই জানিয়েছিল, ৭ই অক্টোবর এর মধ্যে জমা দিতে হবে ২০০০ টাকার নোট। এখন জানান হল, ২০০০ টাকার নোট পুরোপুরি ভাবে অবৈধ নয় কারণ বাজারে সমস্ত নোট এখনও পর্যন্ত জমা পড়েনি। আজকের তারিখ পর্যন্ত রিজার্ভ ব্যাঙ্কে মোট ৯৭.২৬ শতাংশ নোট জমা পড়েছে। অর্থাৎ, ২০০০ টাকার নোট জমা নেওয়ার যে প্রক্রিয়া চলছিল তা চলবে। কিন্তু দেওয়া যাবে কেবলমাত্র রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম ফিলাপের মাধ্যমে।
আরও পড়ুন: সিম কার্ড কেনার নতুন নিয়ম,কি কি আছে সেই নিয়মে ?

চলতি বছর ১৯ শে মে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছিল, এ বছরের ৩০ শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্ককে জমা দেওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ৭ই অক্টোবর করা হয়। যে সময় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বাজারে থাকা নতের অর্থমূল্য ছিল ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবর্ষ থেকেই ২০০০ টাকার নোট ছাপা বন্ধ করে দিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তবে এই নোটকে এখনও অবৈধ বলছেন না তারা।

ধরা যাক, কারও কাছে এখনও ১০ টি ২০০০ টাকার নোট রয়েছে । সেই নোট গুলি তিনি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দিষ্ট অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম ফিলাপ করে জমা দিতে পারবেন। সেই টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির অ্যাকাউন্ট এ পাঠিয়ে দেবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তবে ওই টাকা অন্য কোন ব্যাক্তির অ্যাকাউন্ট এ পাঠাতে পারবেন না তিনি। ব্যাক্তির পাশাপাশি কোন সংস্থার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য ।
২০০০ টাকার নোট এখনও বৈধ, জানাল RBI, জমা পড়ল কত?

২০১৬ সালের নভেম্বরে ‘নোটবন্দি’ করে পুরনো ৫০০ টাকা এবং ১০০০ টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তারপরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বাজারে আনে নতুন ৫০০ এবং ২০০০ টাকার নোট। কিন্তু তিন বছর যেতে না যেতেই ২০০০ টাকার নোট ছাপা বন্ধ করে দিতে হয় । ২০০০ টাকার নোট জাল হওয়া শুরু হয় ব্যাপক হারে। তারপরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ‘ক্লিন নোট’ নীতি ঘোষণা করে বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট পুরোপুরি তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করে।



