নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাদল অধিবেশনে সংসদের অন্দরে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি অভিযোগে ১২ সাংসদকে গোটা শীতকালীন অধিবেশনে সাসপেণ্ড করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকে গান্ধী মুর্তির পাদদেশে দোলা-শান্তাদের ধর্না, সেই ধর্না মঞ্চে উপস্থিত হন বাকি ১০ সাংসদ।
আরও পড়ুনঃMamata Banerjee : উদ্ভব পুত্রের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, রয়েছে আরও পরিকল্পনা
এদিন অধিবেশনের শুরুতেই গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্না দিতে দেখা যায় রাহুল গান্ধী, সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্রদের। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকাজুন খাড়গে জানিয়েছেন, আমরা চাই ১২ জন সাংসদের সাসপেনশন তুলে নেওয়া হোক। বুধবারেই মল্লিকাজুন খাড়গের বাসভবনে বৈঠকে বসবেন বিরোধী পক্ষের সাংসদরা। সেখানে নির্ধারিত হবে পরবর্তী কর্মসুচি। একই ইস্যুতে এদিন উত্তাল হয় সংসদ। বেলা ১২ টা অবধি স্থগিত রাখা হয়েছে অধিবেশন।
তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনের বক্তব্য, সরকার নিজের ঔদ্ধত্বের পরিচয় দিচ্ছে। যখন তাঁরা বিরোধী বেঞ্চে ছিলেন তখন এভাবেই সংসদের অধিবেশন ব্যহত করেছেন। বিচার না পাওয়া অবধি ধর্না চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর জানিয়েছেন, সরকারের বোঝা উচিত বিরোধীদের বক্তব্য শোনা হোক। আপনি যদি গণতান্ত্রিকভাবে সংসদ চালাতে চান তাহলে আপনার উচিত বিরোধীদের বক্তব্য শোনা।

উল্লেখ্য, বাদল অধিবেশনে রাজ্যসভার মধ্যে বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর অভিযোগে ১২ জন সাংসদকে সাসপেণ্ড করা হয়। এই তালিকায় রয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ ফুলো দেবী নেতাম, ছায়া বর্মা, রিপুন বোরা, রাজামণী প্যাটেল, সৈয়দ নাসির হুসেইন, অখিলেশ প্রসাদ সিং। তৃণমূলের সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন দোলা সেন এবং শান্তা ছেত্রী, সিপি(আই)এমের এলামারাম করিম, শিবসেনার প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী, অনীল দেশাই, সিপিআইয়ের বিনয় বিশ্বম।
গান্ধী মুর্তির পাদদেশে দোলা-শান্তাদের ধর্না, উপস্থিত বাকি ১০ সাসপেণ্ড সাংসদ
সংসদ অধিবেশনের শুরু দিনেই ১২ জন সাংসদকে সাসপেনশনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে শুরু করেছে। “আমাদের দায়িত্ব সাধারণ মানুষের কথা সংসদে তুলে ধরা। আমরা সেটাই করতে চেয়েছি আমাদের তাঁর জন্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এটা আসলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ফায়দা তুলছে শাসক দল। আমরা মানুষের জন্য, কৃষকদের জন্য এবং সংবিধানের জন্য স্রব হতে চাই। সরকার এর বিরুদ্ধে। তাঁরা যদি সংসদের ভিতরে আমাদের সরব হতে বাধ্য না করে তাহলে আমরা সংসদের বাইরে সরব হব।



